কলকাতা : রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের জন্য খুশির খবর। রাজ্যের অর্থ দফতর বৃহস্পতিবার উৎসব এডহক বোনাস ঘোষণা করেছে। এর ফলে যাদের ৩৬ হাজার টাকা বেতন তারা বোনাস (Ad Hoc Bonus) পাবেন ৪৫০০ টাকা। যাদের ৪৫ হাজার টাকা বেতন তারা বোনাস পাবেন ১২ হাজার টাকা। পেনশন প্রাপকরা (Pensioners) পাবেন ২৫০০ টাকা। এই দুর্মূল্যের বাজারে রাজ্য সরকারি কর্মীদের (State Government Employees) কাছে এটা অবশ্যই একটা খুশির খবর। এই টাকা ঈদের আগেই দেওয়া হবে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সম্পর্কে বিরোধীরা প্রচার করেন তিনি সড়ককারী কর্মচারীদের ভালোমন্দ দেখেন না। তবে তাদের এই অভিযোগকে এবার মিথ্যা প্রমাণ করেছে নির্বাচনের ফল। পোস্টাল ব্যালট-এর মাধ্যমে মূলত সরকারি কর্মীদের ভোট দিতে হয়। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে তৃণমূলের বিপুল ভোট পেয়েছে। কাজেই সরকারি কর্মচারীরা যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই তাকিয়ে আছেন সেটা প্রমাণিত হয়েছে।

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ নিয়ে কর্মী-সরকার বিবাদ রয়েছে। এখনও রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ৭% ডিএ পান না। নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসলে ৭% হারে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ দেবেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর এই প্রতিশ্রুতি বাংলার মানুষ গ্রহণ করেননি। ভোটের ফল সেটা প্রমাণ করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধ্যের মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সুবিধা দেন সেটা সরকারি কর্মচারীরা জানেন।

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বক্তব্য, তৃতীয় বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এসেই উৎসব ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। আমাদের বিশ্বাস মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের বকেয়া ডিএ নিয়ে যে জটিলতা রয়েছে সেটা অবশ্যই সমাধান করবেন।

প্রতি বছরই রাজ্য সরকার মে মাসে উৎসব অ্যাডভান্স দেয়। এ বছরও মহামারীর মধ্যে সেই আর্থিক প্রাপ্তির কথা রাজ্যের অর্থ দফতর ঘোষণা করল। তবে ডিএ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বিরোধ থাকলেও রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশন মনে করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারি কর্মীদের ক্ষতি হয় এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেননি, নেবেন না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.