খেলাধুলা করতে প্রায় সকল মানুষ পছন্দ করে থাকেন। ক্রিকেট হোক কিংবা ফুটবল টিউশনির ফাকে অথবা সকালে মাঠে গিয়ে খেলা করার আনন্দটা আলাদা। কিন্তু অনেক সময় পড়াশোনার চাপে খেলাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে হয়েছে ভবিষ্যতের কথা ভেবে। তবে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা এই খেলাধুলা করাকে নিজের জীবনের পেশা হিসেবে বেঁছে নিয়েছেন। আর এই সকল মানুষের জন্য স্পোর্টস অথারিটি অফ ইন্ডিয়া এনেছে একটি সুখবর। ভারত সরকারের এই বিভাগ সহকারী কোচ এবং কোচ পদের জন্য নিয়োগ করতে চলেছে ৩০০ বেশি পদে।

গত মাসের ২০ এপ্রিল থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করেছিল স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। এই আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করা হবে ২০ মে মাসে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইন মাধ্যমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে পূরণ করতে পারবে আবেদনপত্রটি। ভারতের যেকোনো প্রান্তের মানুষ তাদের নাম নথিভুক্ত করতে পারেন সহকারী কোচ এবং কোচের পদের জন্য।

ভারত সরকারের এই বিভাগের বিভাগ মোট ৩২০ টি পদে প্রার্থী নিয়োগ করবে বলে প্রকাশ করেছে। সহকারী কোচ এর জন্য রাখা হয়েছে ২২০ টি আসন, যেখানে কোচ পদের জন্য রাখা হয়েছে মোট ১০০ টি আসন। এর পাশাপাশি উভয় পদের মাইনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সহকারী কোচ পদে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সর্বনিম্ন ৪১,৪২০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১,১২,৪০০ টাকার পাশাপাশি কোচ পদে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মিলবে ১,০৫,০০০ টাকা থেকে ১,৫০,০০০ টাকা।

এছাড়াও স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার সহকারী কোচ এর জন্য ৪০ বছর এবং কোচ পদের জন্য ৪৫ বছর বয়সসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে সহকারী কোচ পদের জন্য বেশি প্রাধান্য দেওয়া হবে এসএআই কোচিং-এ ডিপ্লোমা, এনএস এনআইএস, প্রতিষ্ঠিত জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় উত্তীর্ণ, অলিম্পিক এবং আন্তর্জাতিক প্রোতিযোগিতা এবং দ্রোণাচার্য পুরস্কার পাওয়া প্রার্থীদের।

অন্যদিকে কোচ পদের জন্য বেশি প্রাধান্য দেওয়া হবে এসএআই কোচিং-এ ডিপ্লোমা, এনএস এনআইএস, প্রতিষ্ঠিত জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় উত্তীর্ণ এবং ৫ বছরের অভিজ্ঞতা, ২ বছরের অভিজ্ঞতা অলিম্পিক এবং আন্তর্জাতিক প্রোতিযোগিতায় অথবা দ্রোণাচার্য পুরস্কার পাওয়া প্রার্থীদের।

অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের মধ্যে উল্লেখ করে বলা হয়েছে প্রার্থীকে অবশ্যই ভারতীয় হতে হবে। পাশাপাশি এই পরীক্ষার ফর্ম এর জন্য কোন আবেদন মূল্য দিতে হবে না প্রার্থীদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.