Bjp delegation meet with Election Commission
ফাইল ছবি।

কলকাতা : রাত পোহালেই ৪ জেলার ৪৩টি বিধানসভার নির্বাক্যন। তবে এরই মধ্যে কমিশনের নজরে ব্যারাকপুর বিধানসভা। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকেই ভোটের সময় অশান্তিতে উত্তাল হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার এই কেন্দ্রটি । ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগের দিন থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ব্যারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্র। তাই এই কেন্দ্রের দিকে বিশেষ সতর্ক নজর দিয়ে রেখেছে নির্বাচন কমিশন।

বৃহস্পতিবার চার জেলার ৪৩ আসনে নির্বাচন। তার আগে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক সারেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব। ওই বৈঠকই কয়েকটি আসনকে ‘বিশেষ তালিকাভুক্ত’ করা হয়। সেই তালিকায় নাম রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বারাকপুরে, ভাটপাড়া, জগদ্দল, বীজপুর, স্বরূপনগর, আমডাঙা। রয়েছে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া, ইসলামপুর। এছাড়া তালিকায় রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট, কেতুগ্রাম, ভাতার। নদিয়ার করিমপুর, নাকাশিপাড়ার মতো আসনগুলির নামও রয়েছে তালিকায়। সেখানে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি পর্যবেক্ষক সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। শুধুমাত্র ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলেই ১০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে কমিশন। উল্লেখ্য, বুধবার সকালেই টিটাগড়ে বিস্ফোরণ হয়েছে। এর ফলে মৃত্যু হয়েছে একজনের। এই ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভাটপাড়া এলাকা থেকেও বোমাবাজির খবর পাওয়া গেছে। এই পরিস্থিতিতে শান্তিতে ভোট করানো কমিশনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

ভোটের মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে ব্যারাকপুরের জন্য অতিরিক্ত আরও ১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন। তিনি শুধুমাত্র বারাকপুরের ঘটনা নিয়ে কমিশনকে রিপোর্ট দেবেন। এ বারের ভোটে ১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে দুই বা তার বেশি বিধানসভার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তবে শান্তিপূর্ণভাবে ষষ্ঠ দফার ভোট করাতে নির্বাচন কমিশন যাবতীয় চেষ্টা করবে। তাই বিশাল বাহিনী মোতায়েন, ওয়েব কাস্টিং, কিউআরটি টিমের সংখ্যা বৃদ্ধি, একাধিক পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ সহ একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন। ষষ্ঠ দফার নির্বাচন নির্বিঘ্নে করার লক্ষ্যেই এই বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই দফার ভোটে কয়েকটি এলাকাকে বিশেষ তালিকাভুক্ত’ করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের দিন এই এলাকাগুলিতে অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছে তারা। এর মধ্যে বেশির ভাগই উত্তর ২৪ পরগনা শিল্পাঞ্চলের অন্তর্গত এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.