কলকাতা : ২০২০-তে রাজ্যে করোনা মহামারীর রূপ নিয়েছিল। তখন রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে গত বছরের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চাইতে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যে আরও বেশি ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। ঠিক হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন বেসরককারি ও সরকারি হাসপাতালে শয্যা বাড়ানো হবে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গেছে সরকারি হাসপাতালে ২০% ও বেসরকারী হাসপাতালে ২৫% করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য শয্যা বাড়ানো হবে। করোনার প্রথম ঝাপ্টার থেকে দ্বিতীয় ঝাপ্টার প্রভাব অনেক বেশি বলেই মনে করছেন স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা।

২০২০-র অক্টোবর মাসে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করেছিল। সেই সময় রাজ্যের তরফে করোনা চিকিৎসার জন্য সবচেয়ে বেশি করে চিকিৎসা পরিকাঠামোর ব্যবস্থা করেছিল রাজ্য প্রশাসন। তবে সংক্রমণ ধীরে ধীরে কমে আসার জন্য সেই ব্যবস্থাও শিথিল করে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। তবে সম্প্রতি রাজ্যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ প্রবলভাবে রাজ্যে থাবা বসানোয় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর আবার করোনা চিকিৎসা পরিকাঠামো দ্রুত বাড়ানোর ব্যবস্থা নিয়েছে।

কলকাতার সংলগ্ন যে সব বেসরকারি হাসপাতাল আছে । তবে এই সব এলাকায় সংক্রমণ তুলনায় কম হলেও রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর ঠিক করেছে রাজ্যের সরকারি, বেসরকারী হাসপাতাল, নার্সিংহোম সার্বিকভাবে ৪৫% করোনা রজার চিকিৎসার শয্যা বাড়ানো হবে। এই মোতাবেক শুক্রবার কলকাতার শম্ভুনাথ পন্ডিত হাসপাতালে নতুন একটি করোনা চিকিৎসার পরিকাঠামো তৈরী হবে। সাধারণ শয্যার পাশাপাশি আইটিইউ-র ব্যবস্থাও রাখা হবে সেখানে। আগামী এক সপ্তহের মধ্যে রাজ্যে করোনা চিকিৎসার পরিকাঠামোগত এই উন্নয়নের কাজ শেষ করবে স্বাস্থ্য দফতর। কেননা রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি যে ভাবে চোখ রাঙাচ্ছে তার জন্যই প্রশাসনের তরফে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তবে নির্বাচনের জন্য রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যে ভাবে রাজনৈতিক সভা, মিছিল হচ্ছে তার ফলেও সংক্রমণের আশঙ্কা রোজ বাড়ছে বলে চিকিৎসকদের মত। নির্বাচন কমিশন এখনও নির্বাচনের নির্ঘণ্ট পরিবর্তনের কোনও সম্ভাবনার কথা জানায়নি। করোনা থেকে ভোটারদের বাঁচিয়ে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করার কথা বলেছে। কিন্তু পঞ্চম দফার নির্বাচনের দিনও দেখা গেছে ভোটের লাইনে শারীরিক দূরত্ব না মেনেই ভোটাররা দাঁড়িয়ে রয়েছেন ভোট দেওয়ার জন্য। চিকিৎসকরা এটা নিয়ে চিন্তিত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.