সালিশি সভায় হাজির না হওয়ায় মা-ছেলেকে তুলে এনে বেধড়ক মারধর

ইংরেজবাজার: সালিশি সভা থেকে যুবককে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ৷ ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত মা। ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের৷ দুষ্কৃতীদের মারে গুরুতর জখম মা ও ছেলেকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে৷ শনিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে, মালদহের ইংরেজবাজার শহরের নেতাজী কলোনি এলাকায়।

জানা গিয়েছে,গত মহালয়ার দিন থেকে নেতাজী কলণি এলাকায় জুয়ার আসর চলছিল। গত পয়লা তারিখে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই জুয়ার আসর থেকে ছয় জনকে আটক করে। পরে মুক্তি পেয়ে যায় ছয় অভিযুক্ত৷ জেল থেকে মুক্তি পেয়েই অভিযুক্তরা দ্বিজেন সরকারকে প্রাণে মারার হুমকি দিতে শুরু করে৷ দুষ্কৃতীদের দাবি, দ্বিজেনই পুলিশ ডেকে তাদের ধরিয়েছে৷

হুমকি ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করার অভিযোগে গতকাল রাতেই এলাকায় সালিশির ডাক দেওয়া হয়৷ কিন্তু, দ্বিজেন সেই সভায় অনুপস্থিত থাকায় অভিযুক্তরা তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ৷ সালিশি সভায় নিয়ে গিয়ে মারধর করে হয়। ছেলেকে মারতে দেখে ছুটে যান মা ষষ্টি বালা সরকার৷ তাঁকেও অভিযুক্তরা মারধর করে। পড়ে স্থানীয়রা মা ও ছেলেকে আহত অবস্থায় তুলে নিয়ে গিয়ে রাতেই মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি করেন।

এই ঘটনার পর ইংরেজবাজার থানায় আহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত দুলাল মণ্ডল, জিতেস পরামানিক,নিমাই সরকার,সনজ মণ্ডল সহ মোট ১১ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্তরা। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আক্রান্ত দ্বিজেন সরকারের অভিযোগ, ‘‘জুয়া খেলায় পুলিশ ধরে নেওয়া আমার ওপর সন্দেহ। তারপর প্রাণে মারার হুমকি দিচ্ছিলও অভিযুক্তরা। সালিশি সভায় তুলে নিয়ে গিয়ে আমাকে ও মা বাঁচাতে আসলে তাঁকেও মারধর করেছে।’’