প্রতিকি ফাইল ছবি

রায়গঞ্জ: উত্তরবঙ্গে দ্বিতীয় নির্মল ব্লকের হিসাবে উত্তর দিনাজপুর জেলার  কালিয়াগঞ্জ ব্লককে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করল প্রশাসন৷
উত্তর দিনাজপুর জেলার নয়টি ব্লক হওয়া সত্ত্বেও জেলার মধ্যে  প্রথম নির্মল  ব্লক হিসাবে ঘোষণা করা হয় কালিয়াগঞ্জকে৷ এদিন কালিয়াগঞ্জের বোচাডাঙ্গা গ্রামপঞ্চায়েতের অধীন চান্দল ফুটবল ময়দানে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই ঘোষণা করা হয়৷ এদিনে নির্মল ব্লক হিসাবে অনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করেন রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রাম উন্নয়ন দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী গোলাম রব্বানী৷

প্রদীপ প্রজ্বলন বেলুন উড়ানোর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়৷ এদিনের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা শাসক আয়েশা রানি, জেলা পরিষদের সভাধিপতি আলেমা নুরি, সহ সভাধিপতি পূর্ণেন্দু দে, জেলা পরিষদের অতিরিক্ত জেলা শাসক বিনয় শিকদার, জেলা পরিষদের জন স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ গৌতম পাল, কালিয়াগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিতাই বৈশ্য, বিডিও মহম্মদ জাকারিয়া, পুরপতি কার্তিক,  মহকুমা শাসক টিএন শেরপা সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এদিন নির্মল ব্লক ঘোষণার পরে কালিয়াগঞ্জের আটটি গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিকে  নির্মল বাংলার ট্রফি প্রদান করা হয়।

রাজ্যের  পঞ্চায়েত গ্রাম উন্নয়ন দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী গোলাম রব্বানী জানান, উত্তরবঙ্গের মধ্যে দ্বিতীয়  ব্লক হিসাবে  উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ ব্লককে নির্মল ব্লক হিসাবে আজ ঘোষণা করা হল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ‘ড্রিম প্রজেক্ট’ নির্মল বাংলা হিসাবে কালিয়াগঞ্জ ব্লক নির্মল ব্লক হিসাবে ঘোষণা হওয়ায় তিনি  শুধু রাজ্যের মন্ত্রী হিসাবে নয়, জেলাবাসি হিসাবে তিনি গর্ভিত। কারণ, উত্তর দিনাজপুর জেলা এমনিতেই পিছিয়ে পড়া জেলা হিসাবে চিহ্নিত৷ সেখানে দাঁড়িয়ে অন্যান্য জেলার তুলনায় কালিয়াগঞ্জ ব্লক এত ভালো কাজ করতে পেরেছে তাতে তিনি খুব গর্ভিত। তিনি কালিয়াগঞ্জের প্রতিটি মানুষকে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ বাদ জানান। আগামীতে জেলা প্রশাসনের তৎপরতার সঙ্গে জেলা সমস্ত ব্লককে  নির্মল ব্লক করা হবে বলেও জানান তিনি।

The authorities have declared a Nirmal Block in North Dinajpur district Kaliaganj on Tuesday. This announcement was made at a Adhin Chandal football field under Bochadanga gram panchayat.

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।