ময়নাগুড়ি: উত্তরবঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির জেরে এমনিতেই কপালে চিন্তার ভাঁজ মৃৎশিল্পীদের। প্রতিমার মাটি শুকোচ্ছে না বলে রং চরাতে দেরি হচ্ছে শিল্পীদের। অন্যদিকে বেহাল রাস্তার জেরে বড় পুজো কমিটির সদস্যরা আগেভাগেই প্রতিমা নিয়ে যেতে চাইছেন ক্লাবে। ফলে, মহালয়ার আগেই প্রতিমা পৌঁছতে শুরু করেছে ক্লাবে ক্লাবে।

২৭ নম্বর জাতীয় সড়কের অবস্থা একেবারেই বেহাল। প্রচন্ড খারাপ সেই রাস্তা দিয়ে নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছতে অনেকটা বেশি সময় লাগে ইদানীং। তাই বড় বড় ক্লাব কর্তৃপক্ষ এবার দুর্গা প্রতিমাকে মণ্ডপ তৈরির আগেই ক্লাবে নিয়ে যেতে মরিয়া। ময়নাগুড়ির সানরাইজ ক্লাবের সদস্যরা বলেন, জলপাইগুড়ির বিখ্যাত শিল্পীর কাছে প্রতিমার বায়না করেছিলাম। কিন্তু, ক্লাবে পৌঁছানোর রাস্তা খুবই খারাপ। রাস্তায় বড় বড় গর্ত রয়েছে বলে আমরা কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাই না।

তাই প্রতিমাটিকে নিয়ে আসি আমাদের ক্লাবে। সেই কারণে এবার ক্লাব কর্তৃপক্ষের চাপে নাজেহাল মৃৎশিল্পীরা। প্রতিমা শিল্পীদের বক্তব্য, এমনিতেই আকাশের মুখ ভার। আরেক দিকে চাপ দিচ্ছেন বড় ক্লাব কর্তৃপক্ষরা। রাস্তা বেহাল হওয়ার কারণে তাঁরা প্রতিমা নিয়ে যেতে চাইছেন আগেভাগেই। এমন অবস্থায় রাতদিন হাত চালিয়েও কাজ সামলাতে পারছি না।

বুধবার সকালে আকাশ কিছুটা পরিষ্কার হলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন শিল্পীরা। আগামী কয়েক দিন রোদ উঠলেই কাজ সামলানো যাবে। ক্লাবের সদস্যদের হাতে প্রতিমা তুলে দিতে অসুবিধে হবে না। প্রতিমা শিল্পী থেকে শুরু করে পুজো কমিটির সদস্য– সকলেই তাকিয়ে আছে আকাশের দিকে।