কলকাতা : আগামী ২ মে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা (Vote Counting)। তবে ফল ঘোষণার (Election Result) পর বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করল নির্নবাচন কমিশন। মঙ্গলবার কমিশন এই নির্দেশ দিয়েছে। করোনা (Corona) পরিস্থিতি ভয়াল আকার নেওয়ায় বাধ্য হয়ে কমিশনকে (Election Commission of India) এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

আগামী ২ মে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal), অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির বিধাননসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হবে। ফল প্রকাশের পর যাতে যারা জিতবে সেই দলের কর্মী-সমর্থকরা বিজয় মিছিলে বিপুল পরিমাণ মানুষের সমাগম করে, করোনা বিধি না মেনে বিপর্যয় আরও বাড়িয়ে, বিজয় মিছিল করে বিপদ আরও বাড়িয়ে না তোলে, তার জন্য কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বাচন কমিশন সোজা জানিয়ে দিয়েছে, ফল প্রকাশের পর কোনও রকম বিজয় মিছিল করা যাবে না।

নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফায় নির্বাচন (8th Phase Election) করার জন্য এমনিতেই রাজ্যের শাসক দল ও আদালতের সমালোচনার মুখে পড়েছে। তা ছাড়া পশ্চিমবঙ্গে করোনার গ্রাফ সমানে বেড়েই চলেছে। এই মুহূর্তে দেশের মধ্যে করোনা সংক্রমণে পশ্চিমবঙ্গের স্থান প্রথম। শতকরা ৯.৫% সংক্রমণ পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে। ৯% সংক্রমণের জন্য কর্ণাটক আজ মঙ্গলবার থেকে সেই রাজ্যে লকডাউন (Lockdown) ঘোষণা করেছে। তবে আগামী ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে শেষ দফার নির্বাচন। তার পর ২ মে ভোট গণনা। তাই কোনওভাবেই এখন দরকার থাকলেও পশ্চিমবঙ্গে লকডাউন ঘোষণা করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের হাতে যে টুকু সুযোগ রয়েছে সংক্রমণের থেকে মানুষদের বাঁচাবার তারা সেটাই করার জন্য ভোটের ফল প্রকাশের পর বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

এদিকে মাদ্রাজ হাই কোর্ট করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার জন্য এককভাবে নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করেছে। ২৯ এপ্রিলরের মধ্যে ভোট গণনার জন্য কি ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেটা আদালতে জানাতে বলা হয়েছে। তাতে আদালত সন্তুষ্ট হলেই গণনা হবে, না হলে হবে না। এর পর নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে নির্বাচন কমিশন করোনা বৃদ্ধির পর রাজ্যে নির্দেশ দিয়েছিল ৫০০ জনের বেশি মানুষকে এক জায়গায় একত্রিত করে সভা করা যাবে না। সেই নির্দেশ রাজ্যের রাজনৈতিক দলের একটা অংশ মানেনি। তাই প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, যারা নির্বাচনে জিতবে, তারাই রাজ্যে আগামী পাঁচ বছরের জন্য শাসন ক্ষমতায় আসবে। তাই তারা কী কমিশনের বিজয় মিছিল না করার এই নির্দেশ আদৌ মানবে ?

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.