শুভেন্দু ভট্টাচার্য, কোচবিহার: শহরের ফুটপাত বেদখল হলেও নির্বিকার কোচবিহার পুরসভা৷ ফুটপাত দখল হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই রাস্তার উপর চাপ বাড়ছে৷ দেখা দিচ্ছে ট্র্যাফিকের সমস্যাও৷

দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা থাকলেও শহরের ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদ করতে পুরসভার ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ জন্মাচ্ছে শহরের মানুষের মধ্যে৷

আরও পড়ুন: মোবাইল থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছবি-কন্টাক্ট উড়ে গিয়েছে? তাহলে অবশ্যই পড়ুন

যদিও পুরসভার প্রতিবারের মত আশ্বাস ফুটপাত দখল মুক্ত করতে নামবেন না তারা৷ বারে বারে এই আশ্বাস শোনার পরেও কোনও কাজ না হওয়ায়, এই অব্যবস্থাকে নিয়ম বলে ধরে নিয়েছে শহরবাসী৷

কোচবিহার শহরের ফুটপাত দখল দীর্ঘদিনের সমস্যা৷ এক সময় প্রতিবছর নিয়ম করে ফুটপাত দখল মুক্ত করা হত৷ কিন্তু কিছু দিন পর ফের দখল হত ফুটপাত৷ কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে শহরের ফুটপাত দখল মুক্ত করার কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি৷ ফলে বর্তমানে কোচবিহার শহরে ফুটপাত বলে কিছু নেই৷ কোচবিহার শহরের সুনীতি রোড বা কেশব রোড বাসস্ট্যান্ড এলাকা অথবা বিশ্বসিংহ রোড, বাজার এলাকার রুপ নারায়ণ রোড, সব রাস্তার ফুটপাতই ছোট বড় ব্যবসায়ীদের দখলে৷ ফুটপাতের কোথাও হোটেল, কোথাও আবার সাইকেলের দোকানের সাইকেল জমা করে রাখা ফুটপাতেই৷ দেখেও না দেখা প্রশাসন৷

আরও পড়ুন: যুব বনাম আদি তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ এক যুবক

দেশের অন্য শহরেও ফুটপাতে ব্যবসায়ীরা রয়েছে৷ সেখানে ফুটপাতে চলাচলের জায়গা রয়েছে কিন্তু কোচবিহারে ফুটপাত পুরোটাই দখল৷ এমনকী, ফুটপাত ছাড়িয়ে রাস্তাতেও উঠে এসেছে দোকান৷ ফলে রাস্তায় হাটতে গিয়ে নাভিশ্বাস হয়ে উঠছে মানুষ৷ শুধুই কি তাই ফুটপাতের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের আবর্জনা ফেলছে নর্দমায়৷ নর্দমা ভর্তি হয়ে জল নিকাশই ব্যবস্থা বেহাল অবস্থা৷

রাজ্য সরকার কোচবিহারকে গ্রিন সিটি করতে আর্থিক বরাদ্দ করছে৷ তবে শহরের এই হাল কতটা ঠিক হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে শহরবাসী৷ যদিও আশ্বাসবাণী শোনাচ্ছেন কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান ভূষণ সিং৷ তাঁর দাবি, দ্রুত ফুটপাত দখল মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের৷ তবে কবে হবে এই কাজ সেই অপেক্ষায় শহরবাসী৷

আরও পড়ুন: এক দশকেও হাসপাতাল না পেয়ে আন্দোলনে বিড়ি শ্রমিকরা

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I