কলকাতা : সোমবার রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ১৭,৫০১ জন। তাঁদের মধ্যে ৩,৯৯০ জনই কলকাতার মানুষ। তাই বলা যায় দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে আবার প্রথম স্থানে এলো কলকাতা। সংক্রমণের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় তিন হাজারের বেশি মানুষ সোমবার আক্রান্ত হয়েছেন। এই জেলায় নতুন করে ৩,৯৬৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তৃতীয় স্থানে হাওড়া। একদিনে নতুন করে হওয়ায় করোনা সংক্রমণ ছড়িয়েছে ৯৯০ জনের শরীরে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা সংক্রমণে রয়েছে চতুর্থ স্থানে। আক্রান্ত সেখানে ৯৬২ জন। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের করোনা গ্রাফও রীতিমতো ভয় ধরিয়েছে সেখানকার বাসিন্দাদের। দার্জিলিংয়ে একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন পাঁচশোর বেশি মানুষ । এছাড়াও সব জেলা থেকেই এসেছে নতুন সংক্রমিতের খবর। ফলে রাজ্যের মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮,৮০, ৮৯৪। আর ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১৫ হাজার ৯৩৭ জন। এর মধ্যে ৩,৮৩৭ জন কলকাতার মানুষ । রাজ্যে ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হার ৮৫.০৬ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৯৮ জন প্রাণ কেড়েছে তাঁদের মধ্যে ২৩ জনই উত্তর ২৪ পরগনার। দৈনিক মৃত্যুর নিরিখে প্রথম স্থানে রয়েছে উত্তর ২৫৪ পরগনা । মৃত্যুর নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। কলকাতায় একদিনে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৬৩৭ জনে ।
এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি হাসপাতালে করোনা ভ্যাকসিনের ঘাটতি মানুষকে চিন্তায় ফেলেছে। তার ওপর রাজ্য জুড়ে আংশিক লকডাউন জারি হলেও সর্বত্র সেটা মানা হচ্ছে না। সারা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও চলছে করোনা ভ্যাকসিনের টানাটানি। বেসরকারীই হাসপাতালে বা সরকারি হাসপাতালে পাওয়া যাচ্ছে না করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ । এদিকে চিকিৎসকরা বলছেন এখনই লকডাউন জারি করা উচিত দেশ জুড়ে। কিন্তু কেন্দ্র বা রাজ্য এই বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।

এদিকে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ রুখতে রাজ্যের সব চিড়িয়াখানা, ইকো ট্যুরিজম পার্ক বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে  রাজ্য সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.