স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া ও বীরভূম: প্রচণ্ড দাবদাহের পরই রাজ্যে প্রবেশ করেছে বর্ষা৷ আর বর্ষা মানেই নিজেদের গোপন আস্তানা থেকে বেরিয়ে আসে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীরা৷ এবার ‘বিরল প্রজাতি’র ক্যামেলিয়ন উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো বাঁকুড়া শহরের লালবাজার-কেরানীবাঁধ এলাকায়। অন্যদিকে এদিনই বীরভূমের পাড়ুইয়ের বাতিকার গ্রামের জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয়েছে বনরুই বা প্যাঙ্গোলিন নামে এক বিরল প্রজাতির প্রাণী৷ মূলত চিন দেশে এই ধরনের প্রাণী বেশি দেখতে পাওয়া যায়৷ দুটি ক্ষেত্রেই খবর পেয়েবিরল প্রজাতির প্রাণী দুটিকে উদ্ধার করেছেন বন দফতরের কর্তারা৷

আরও পড়ুন: কাশ্মীরে ফিরলেন নিখোঁজ ৯ জওয়ান

স্থানীয় সূত্রের খবর, শনিবার বাঁকুড়া শহরের লালবাজার-কেরানীবাঁধ এলাকার একটি বস্তি সংলগ্ন ঝোপের মধ্যে ক্যামেলিয়নটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা৷ ক্যামেলিয়নটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক বাসিন্দা সেটিকে খাঁচা বন্দি করে রাখেন। বিরল প্রজাতির ক্যামেলিয়নটিকে দেখতে এলাকার মানুষ ভিড় জমান৷ তার মধ্যে এলাকার কচি-কাঁচাদের উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। স্থানীয় বাসিন্দা দয়াল মালাকার বলেন, ‘‘বাড়ির পাশের ঝোপ থেকে ক্যামেলিয়নটিকে উদ্ধার করি। এটি ক্যামেলিয়ন প্রজাতির গিরগিটি হতে পারে। যদিও এই বিষয়ে আমাদের সম্যক কোনও ধারণা নেই।’’ খবর পেয়ে বনদফতরের কর্তারা ক্যামলিয়নটিকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার পর জঙ্গলে ছেড়ে দেয়৷

আরও পড়ুন: এই উপায়ে বিনামূল্যে মুহূর্তে হাতে পেয়ে যাবেন প্যান কার্ড

অন্যদিকে এদিনই বীরভূমের পাড়ুইয়ের বাতিকার গ্রামের জঙ্গল থেকে উদ্ধার হল বনরুই বা প্যাঙ্গোলিন নামে এক বিরল প্রজাতির প্রাণী৷ বন দফতর সূত্রের খবর, মূলত চিন দেশে এই ধরনের প্রাণী বেশি দেখতে পাওয়া যায়৷ সকালে গ্রামবাসীরা রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে বনরুইটিকে দেখতে পায়৷ তাঁরা বনদফতরের কর্মীদের খবর দিলে সিউড়ি থেকে বনদফতরের কর্মীরা গিয়ে প্রাণীটিকে উদ্ধার করে৷ বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাণীটি ভয় পেয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছিল৷ তাই চিকিৎসার পাশাপাশি বিরল প্রজাতির ওই প্যাঙ্গোলিনটিকে আপাতত পর্যবেক্ষণে রেখেছেন বনদফতরের আধিকারিকরা৷

আরও পড়ুন: কোটা সংস্কার: আন্দোলনকারীদের মারধরে অভিযুক্ত ছাত্র লিগ