নয়াদিল্লি : বিক্ষোভের মানবিক মুখ। তাঁরা কৃষকদের আটকাচ্ছেন, প্রতিহত করছেন তাঁদের গতি। তবু মানবিকতা বাধা মানেনি। বিক্ষোভরত এক কৃষক জল এগিয়ে দিচ্ছেন তৃষ্ণার্ত এক পুলিশকর্মীকে। এই ছবিই মুখ হয়ে গেল বিক্ষোভের।

কৃষক বিক্ষোভের শুরু থেকেই বেশ কয়েকজন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব এই বিক্ষোভের সমর্থনে সরব হয়েছিলেন। শনিবার বিকেলে বিগ বস ১৩-য়ের প্রতিযোগী তেহসিন পুনাওয়ালা একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায় এক কৃষক, নিজে বিধ্বস্ত, তবু জল খাওয়াচ্ছেন এক তৃষ্ণার্ত পুলিশ কর্মীকে। মুহুর্তে ভাইরাল হয় সেই ছবি।

ছবিটি পোস্ট করে পুনাওয়ালা লেখেন এটাই ভারতের বিবেক। এঁরা আমাদের কৃষক-আমাদেরই পুলিশ কর্মী। খুব তৃণমূল স্তরের পুলিশ কর্মীরাও জানেন নরেন্দ্র মোদী কৃষকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। আমাদের দেশের কৃষকদের ওপর যেভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যেন তাঁরা জঙ্গি।

এদিকে, কৃষকদের ক্ষোভের আঁচ পেয়েছে মোদী সরকার। বিক্ষোভরত কৃষকদের সঙ্গে আগেই আলোচনায় বসতে চান বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী। আগামী ৩ ডিসেম্বর কৃষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর।

কৃষিমন্ত্রীর পাশাপাশি এবার বিক্ষোভকারী কৃষকদের আলোচনায় বসার বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। অমিত শাহ কৃষকদের উদ্দ্যেশ্যে এদিন বলেন, ‘‘আমি প্রতিবাদী কৃষকদের কাছে আবেদন করছি, ভারত সরকার আলোচনার জন্য প্রস্তুত। কৃষিমন্ত্রী ৩ ডিসেম্বর তাঁদের আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

সরকার কৃষকদের প্রতিটি সমস্যা ও চাহিদা বিবেচনা করতে প্রস্তুত।’’ কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইনের জেরে কৃষকদের স্বার্থে আঘাত লাগবে, এই আশঙ্কা থেকেই কয়েকমাস ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দেশের একাধিক রাজ্যের কৃষক-সমাজ। বিক্ষোভ চরম আকার নিয়েছে পঞ্জাব, হরিয়ানা-সহ উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে।

এবার দিল্লিতে বিপুল সংখ্যায় কৃষকের জমায়েত কেন্দ্রের কাছে মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিক্ষোভ পরিস্থিতি ক্রমশই ঘোরালো হয়ে উঠেছে। রাজধানী দিল্লিতে হাজার-হাজার কৃষক পথে নেমেছেন কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইনের বিরুদ্ধে।

পঞ্জাব থেকে পথ ধরে তাঁদের অবস্থান এখন রাজধানীর রাস্তায়। এই পরিস্থিতিতে রফা-সূত্র খুঁজে বের করতে মরিয়া কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমরের পর পর এবার বিক্ষোভরত কৃষকদের আলোচনায় বসার বার্তা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।