নয়াদিল্লি: দেশভাগ অথবা ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের পর পাকিস্তানে চলে যাওয়া প্রত্যেকটি দাবিহীন সম্পত্তির নিলামের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শত্রু সম্পত্তি তালিকাভুক্ত এই সব জমির বাড়ির একটি বড় অংশ উত্তর প্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে।

বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে চিহ্নিত বিভিন্ন জমি-বাড়ির প্রথম দফার নিলামের প্রস্তুতি শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিশেষ সূত্র থেকে বিবিসি জানাচ্ছে, যে সব শত্রু সম্পত্তিতে মামলার জটিলতা নেই – প্রথমে পশ্চিমবঙ্গে সেগুলোর তালিকা তৈরি করে নিলামে তোলা হচ্ছে। এই ‘পাইলট প্রোজেক্ট’ সফল হলে অন্যান্য রাজ্যেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

শত্রু সম্পত্তি কী ?
১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান ভাগের পর কিংবা ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালে ভারত-পাক যুদ্ধের সময় অনেকে ভারত ছেড়ে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন। তাদের ফেলে যাওয়া জমি-বাড়িকেই ভারত সরকার শত্রু সম্পত্তি হিসেবে অধিগ্রহণ করে থাকে।

আইন সংশোধন করে শত্রু সম্পত্তির ওপর দাবিদার বা ওয়ারিশদের অধিকার অনেকটাই কমানো হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানাচ্ছে, দেশে এই ধরনের সম্পত্তির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি উত্তরপ্রদেশে। সেখানে প্রায় হাজার পাঁচেক এমন সম্পত্তি রয়েছে। এর পরেই সবচেয়ে বেশি শত্রু সম্পত্তি আছে পশ্চিমবঙ্গে, ২৭৩৫টি।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই সব শত্র সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে সরকার অন্তত এক লক্ষ কোটি টাকা কোষাগারে আনতে পারবে।পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুরু হচ্ছে এই পদক্ষেপ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।