কলকাতা : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত। তাই তিনি মহারাষ্ট্রের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পারলেন না মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। মহারাষ্ট্রে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ প্রকটভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে রেমডেসিভিয়ারের ঘাটতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে জরুরি ফোনে করেছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পারেননি। উদ্ধবের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত, তাই করোনা নিয়ে চিন্তা নেই।

মহারাষ্ট্র সরকারের বক্তব্য, সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। শনিবার পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ৭২৯ জন। রাজ্যে করোনা সংক্রমণের এই উর্দ্ধমুখী গতির ফলে রাজ্যে অক্সিজেনের এবং রেমডেসিভিয়ারের ঘাটতি রয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে না পেরেই মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে নরেন্দ্র মোদীর অভিযোগ তোলেন। মহারাষ্ট্রের সংখ্যালঘু মন্ত্রী অভিযোগ
করে বলেন, “মানুষ মারা যাচ্ছেন, আর প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত নির্বাচন নিয়ে।”

এদিকে উদ্ধব ঠাকরের এই অভিযোগ সামনে আসতেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নরেন্দ্র মোদির সমালোচনায় সরব হন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নরেন্দ্র মোদীকে “ফ্রড মাস্টার”আখ্যা দিয়ে বলেন, “এই হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী। কাজের বেলায় কিছু নেই।” দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম বলেন, এখন প্রধানমন্ত্রীর উচিত মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে এক ফোনের দূরত্বে থাকা। কেননা কেন্দ্রীয় সরকারের সব সিদ্ধান্তই প্রধানমন্ত্রী একা নেন।

তবে উদ্ধব ঠাকরের এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ কেন্দ্রের স্বকার। কেন্দ্রিয়মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন বলেন, তবে উদ্ধব ঠাকরের এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ কেন্দ্রের স্বকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন বলেন, উদ্ধব সস্তার রাজনীতি করছেন। মহারাষ্ট্র মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে তাঁকে অক্সিজেন দেওয়ার বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ১১২১টি ভেন্টিলেটর তাঁর রাজ্যে দেওয়া হবে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রক থেকে তাঁকে এই বার্তা জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্য সরকারের যোগাযোগ সঠিক আছে। দেশের প্রাক্তন পি চিদাম্বরম অর্থমন্ত্রী ও কংগ্রেস নরত বলেছেন, নরেন্দ্র মোদী সরকার টানা এক বছর সময় পাওয়ার পরও কেন করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলানোর জন্য উপযুক্ত প্রুস্তুতি নিলো না সেটাই ভাবনার বিষয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.