PM about Uttarakhan

হলদিয়া: উত্তরাখণ্ডের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হলদিয়ার সভায় এসে সেই রাজ্যের তুষারধস ও বন্যা বিপর্যয় বিধ্বস্ত মানুষের জন্য সমবেদনার কথা বললেন তিনি। জানালেন, এই পরিস্থিতি সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করছে উত্তরাখণ্ডবাসী। উত্তরাখণ্ডের জন্য গোটা বাংলা প্রার্থনা করছে। গোটা দেশ প্রার্থনা করছে।

এদিন হলদিয়ার সভায় বক্তৃতা দিতে এসে প্রথমেই উত্তরাখণ্ডের পরিস্থিতির কথা তোলেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, মা গঙ্গার উত্তৎপত্তিস্থল ওই রাজ্যে উত্তরাখণ্ড বিপর্যয়ের মুখোমুখি। হিমবাহ ভাঙার ফলে নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির খবর আসছে। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর ত্রিবেন্দ্র রাওয়াত, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও এনডিআরএফের অফিসারদের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রেখে চলেছেন তিনি। পরিস্থিতির খবর নিচ্ছেন প্রতি মুহূর্তে। ওখানে এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার কাজ চলছে। মানুষকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। চিকিৎসার ক্ষেত্রে যাতে সেখানকার মানুষকে কোনও অসুবিধার মধ্যে না পড়তে হয় সেদিকেও জোর দেওয়া হচ্ছে। ওখানকার আবহাওয়া এখন বেশ ঠান্ডা। সেসব মাথায় রেখেই কাজ করা হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি এদিন এও বলেন, উত্তরাখণ্ডের খুব কম সংখ্যক পরিবার এমন রয়েছে যাদের কোনও সদস্য সেনায় নেই। তাই তারা অত্যন্ত সাহসী। যে কোনও পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার জন্য তৈরি থাকে এখানকার মানুষ। তাই এই সময়ও সাহসিকতার সঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সঙ্গে লড়াই করছে তারা। উত্তরাখণ্ডের জন্য গোটা বাংলা প্রার্থনা করছে। গোটা দেশ প্রার্থনা করছে।

এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে এই তুষারধসের ফলে ঋষিগঙ্গা ও ধৌলিগঙ্গা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্য়াপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রেরই বাঁধ ভেঙে গিয়েছে বলে খবর। চামোলি জেলার তপোবনেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হরিদ্বার ও ঋষিকেশে বাড়ছে গঙ্গার জলস্তর। দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তর সহ সমস্ত এজেন্সিকে এখন হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে তুষার ধসের ফলে নদীতে যেভাবে জলস্তর বাড়াতে শুরু করেছে তাতে আগামী ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে জল বের করতে হবে। তা না হলে, ক্রমাগত গঙ্গার জলস্তর বাড়তে থাকলে হরিদ্বার ও ঋষিকেশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.