স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আলু-পিঁয়াজের দাম বৃদ্ধির জন্য রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আসন্ন নির্বাচনে শাসক দলের ফান্ড তৈরির জন্যই এই মূল্যবৃদ্ধি বলে দাবি তাঁর।

আলু-পিঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুক্রবার দিলীপ ঘোষ বলেন, “বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু এখনও আমরা সেরকম কিছুই দেখছি না। আলু ও পিঁয়াজের দাম বেড়েছে। নির্বাচনী ফান্ড তৈরি করার জন্য এগুলি করা হচ্ছে৷ করোনার জন্য মানুষ এমনিতেই কষ্টের মধ্যে আছেন৷ এতে মানুষের ক্ষোভ আরও বাড়বে।”

উল্লেখ্য, লকডাউনের পর আনলক পর্যায় শুরু হতেই আলু-পেঁয়াজ সহ অন্যান্য শাক-সবজির দাম হু হু করে চড়তে শুরু করে। বর্তমানে শহরের একাধিক জায়গাতেই আলু বিকোচ্ছে কিলো প্রতি ৪০ টাকারও বেশি দরে। উৎসবের মরশুমেই নিত্য প্রয়োজনীয় শাক-সবজির পাশাপাশি পেঁয়াজের দাম ক্রমশ নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে।

সম্প্রতি পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করতে দেখা যায় প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা পিআইবিকে। সেখানেও স্পষ্টতই বলা হয়েছে এক বছর আগে বা বলা ভালো গত বছর ২০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশজুড়ে পেঁয়াজের যা দাম ছিল তা বর্তমানে ১২.৬১ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছে।

পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি হলেও আলুর দাম বাড়ার কোনও কারণ নেই বলেও এদিন মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ। বলেন, “পিঁয়াজ নাসিক থেকে আসে৷ তাই পিঁয়াজের দাম বাড়ার একটা কারণ আছে। হতে পারে ফসল কম হয়েছে, নষ্ট হয়েছে৷ কিন্তু আলুর দাম বাড়ার কোনও কারণ নেই। আলু তো তারকেশ্বর থেকে আসে। পশ্চিমবঙ্গে আলু চাষও হয়।”

এদিকে, কৃষি বিলের সঙ্গে অত‌্যাবশ‌্যকীয় পণ‌্য আইনের সংশোধন করেছে কেন্দ্র। এই সংশোধনীর ফলে চাল-ডাল-আলু-পিঁয়াজ-সহ সমস্ত পণ‌্যকেই জরুরি বা অত‌্যাবশ‌্যকীয় পণ্যের তালিকার বাইরে আনা হয়েছে। কিন্তু, আইনে বলা হয়েছে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার হস্তক্ষেপ করতে পারবে। যখন কোনও পণ্যের দাম বাজারে ৫০ শতাংশের বেশি বেড়ে যাবে, তখন সরকারকে হস্তক্ষেপ করার অধিকার আইনে দেওয়া আছে। বিরোধীদের অভিযোগ, মোদী সরকারের এই বিলের জন্য আলু-পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।