স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার রাজ্যপালদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করবেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ও উপ–রাষ্ট্রপতি এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু।বৈঠকের মূল বিষয়, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইকে জোরদার করা।

রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে এটা এ ধরনের দ্বিতীয় কনফারেন্স হবে। প্রথম ভিডিও কনফারেন্স হয়েছিল ২৭ মার্চ, সেখানে দিল্লির লেফটেন্যান্ট গর্ভনর সহ আক্রান্ত রাজ্যের ১৪ জন গর্ভনরের সঙ্গে বৈঠক করেন রামনাথ কোবিন্দ। ওই ভিডিও কনফারেন্সে গর্ভনরদের তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে বলা হয়। গর্ভনর ও লেফটেন্যান্ট গর্ভনর ও প্রশাসকরা তাঁদের অভিজ্ঞতার কথাও জানাবেন।

এদিনও গর্ভনর, লেফটেন্যান্ট গর্ভনর ও সব রাজ্যের প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় অঞ্চলগুলির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করবেন রামনাথ কোবিন্দ ও ভেঙ্কাইয়া নাইডু।

বৃহস্পতিবার বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্স করেন মোদী। এটাও মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় বৈঠক। এদিন রাজ্যকে তিনি বলেন, ‘লকডাউন শেষ হলেই যাতে একসঙ্গে রাস্তায় মানুষ বেরিয়ে না পড়েন, তা নিশ্চিত করার জন্য রাজ্যেগুলিকে কেন্দ্রের সঙ্গে অবশ্যই কাজ করতে হবে। একটি যৌথ এগজিট রূপরেখা (কমন এগজিট স্ট্র্যাটেজি) বানাতে হবে।’

১৪ এপ্রিলের পর লকডাউনের সময়সীমা আরও বাড়ছে বলে গুজব ছড়িয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্র সেই গুজব উড়িয়ে দিয়েছিল। আজ বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সেও করোনাভাইরাস নিয়ে বৈঠকে তেমনই ইঙ্গিতই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যদিও তার জন্য লকডাউনের পরের পরস্থিতি মোকাবিলার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যকে একমুখী নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছকে রাখার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

লকডাউনের ভবিষ্যৎ নিয়ে মোদী স্পষ্টভাবে কিছু না বললে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, ধাপে ধাপে লকডাউন শিথিল হওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন মোদী।

এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ না দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে ভারতের লড়াইয়ে গোটা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। ভিডিও কনফারেন্সের গরহাজির থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক কাজ করেননি মুখ্যমন্ত্রী। এটা রাজ্যের স্বার্থের পরিপন্থী।’