নয়াদিল্লি:ঘুষকান্ডে সামান্য হলেও স্বস্তি পেল সিবিআই-এর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদাধিকারী স্পেশাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানা৷ মঙ্গলবার তিঁনি এফআইআরের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেন৷ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এদিন দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়েছে, আগামী সোমবার পর্যন্ত আস্থানাকে গ্রেফতার করা যাবে না। মামলার পরবর্তী শুনানি সেদিনই ধার্য হয়েছে। তাঁর মোবাইল ফোন,ল্যাপটপসহ সমস্ত নথি সযত্নে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন৷

মইন কুরেশি মামলার তদন্ত করছিল সিবিআই ও ইডি৷ মইন কুরেশি একজন মাংস রফতানিকারী ব্যবসায়ী৷ তাঁর সহযোগী ছিল হায়দরাবাদের আর এক ব্যবসায়ী সতীশ বাবু সানা। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ঘুষকান্ডে ইতিমধ্যেই সিবিআই অফিসার দেবেন্দ্র কুমারকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই৷ নাম জড়িয়েছে রাকেশ আস্থানারও৷ অন্যদিকে সিবিআই প্রধান অলোক ভার্মার বিরুদ্ধে পাল্টা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ এনেছেন আস্থানা৷

আরও পড়ুন: পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার বাড়াবে আমেরিকা: ট্রাম্প

সিবিআই প্রধান অলোক ভার্মা এবং সংস্থার স্পেশাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানার দ্বন্ধ গড়ায় আদালতে৷ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের পরও বিষয়টি আদালত পর্যন্ত পৌঁছায়৷ যা সিবিআইয়ের ইতিহাসে বেনজির৷

সিবিআই-এর স্পেশাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থানার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার পরে, এবার তাঁর সমস্ত ক্ষমতা খর্ব করল সিবিআই৷ স্বাভাবিক ভাবেই ঘুষকান্ডে আরও বিপাকে পড়লেন তিঁনি৷ সিবিআই সূত্রের খবর, সিবিআই অধিকর্তার নির্দেশেই আস্থানার ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে৷ এমনকি তার কাছ থেকে তদন্তের সমস্ত নথি নিয়ে নেওয়া হয়েছে৷ শুধু তাই নয়, আস্থানার আর কোনও নির্দেশ না মানার জন্য সিবিআই অফিসারদের বলা হয়েছে৷ এবং সিবিআই প্রধান অলোক ভার্মা তাঁকে সাসপেন্ড করারও সুপারিশ করেছেন কেন্দ্রের কাছে৷

সিবিআইয়ের এই নজিরবিহীন অন্তর্কলহ নিয়ে ইতিমধ্যেই ময়দানে নেমেছে বিরোধীরা৷ আর এর ফলে এখন বিশ বাঁও জলে সারদা, নারদা, রোজভ্যালির মত চিটফান্ড সংস্থার তদন্ত৷