তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া : তৃণমূল ছেড়ে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া জয়ন্ত মিত্রকে ‘ভোট দেওয়ার’ আবেদন জানিয়ে পোস্টার পড়লো বাঁকুড়ার তালডাংরা বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন জায়গায়। মঙ্গলবার পাঁচমুড়া, তালডাংরা, সিমলাপাল, শিবডাঙ্গা মোড়, হাড়মাসড়া, বিবড়দায় লাগানো এই পোষ্টার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

এদিন সকাল থেকে ঐ এলাকা গুলিতে পদ্মফুল প্রতীক চিহ্ন সহ জয়ন্ত মিত্র, শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষের ছবি সম্বলিত ‘দাদার অনুগামী’দের সৌজন্যে ঐ পোষ্টারে ‘ তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রে জননেতা ও বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত মিত্র’কে ভোট দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক ও খাতড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদে থাকাকালীন জয়ন্ত মিত্র সম্প্রতি মেদিনীপুর কলেজ মাঠে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের সভায় বিজেপিতে যোগ দেন। তারপর বিজেপির তরফে রাজ্যে প্রার্থী ঘোষণার আগেই তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ন্ত মিত্রের হয়ে পোষ্টার পড়ায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

এবিষয়ে তালডাংরা ব্লক তৃণমূল সভাপতি মনসারাম লায়েক বলেন, ঐ বিষয়টি বিজেপির আভ্যন্তরীণ বিষয়। একই সঙ্গে তৃণমূল ত্যাগী শুভেন্দু অধিকারী, জয়ন্ত মিত্রদের ‘লোভী’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু। আর ঠিক ঐ জিনিসটাই ওদের ক্ষেত্রে ঘটবে বলে তিনি দাবি করেন।

এবিষয়ে বিজেপির তালডাংরা মণ্ডল-১ সভাপতি মধুময় পরামানিকের দাবি, তৃণমূলের লোকেরাই জনমানসে বিভ্রান্তি ছড়াতে এই পোষ্টার লাগিয়েছে। বলেন, দলের তরফে কোন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। একই সঙ্গে সর্বভারতীয় তাদের এই দলে কোন দাদা বা দিদির অনুগামী নেই। তারা নরেন্দ্র মোদি ও শীর্ষ নেতৃত্বের কথা শুনেই চলেন বলে তিনি দাবী করেন।

এবিষয়ে জয়ন্ত মিত্র বলেন, তিনি এই বিষয় সম্পর্কে কিছুই জানেননা। দলের জেলা সভাপতিও এই বিষয়ে তার কাছ কাছে জানতে চেয়েছেন। তবে এই পোষ্টার লাগানোর পিছনে কেউ বা কারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার চেষ্টা করেছে বলে তিনি দাবি করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।