স্টাফ রিপোর্টার, বারাসত: ফের প্রকাশ্যে এল রাজ্য পুলিশের করুণ চেহারা৷ আসামী ধরতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হলেন মহিলা পুলিশ কর্মীসহ আহত চারজন৷

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে নারী ও শিশু পাচারকারী আব্দুল কালাম তরফদার নামে দুষ্কৃতীকে ধরতে বনগাঁ মহকুমার মাছডোব এলাকার যৌথ অভিযানে নামে হেয়ারস্ট্রিট থানা ও গোপালনগর থানার পুলিশ৷ গ্রামে ঢুকে শুরু হয় পুলিশি তল্লাশি৷ এলাকায় পুলিশি তল্লাশির খবর পেতেই কালামের অনুগামীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায় বলে পুলিশ সূত্রে খবর৷

অভিযোগ, পুলিশ হেফাজতে থাকা গোলাম মোস্তফা মণ্ডলকে ছিনিয়ে নেয় তার অনুগামীরা৷ শুরু হয় তাণ্ডব৷ দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে পুলিশের বেশ কয়েকজন আহত হন৷ কলকাতা পুলিশের দু’জন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে৷ আহত এসআই শ্রাবন্তী ঘোষ ও এসআই অজিত স্বর্ণকার বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷ বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়৷

এই ঘটনার পর শুক্রবার রাতেই ওই গ্রামে ঢুকে পুলিশ পাল্টা তাণ্ডব শুরু করে বলে অভিযোগ মাছডোব এলাকার বাসিন্দাদের৷ পুলিশের উপর আক্রমণের ঘটনায় সাত জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে৷ পরে বনগাঁ এসডিপিও অনিল রায় ও সিআই পার্থ সান্যালের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে৷ অভিযুক্তদের রবিবার বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ৷

অন্যদিকে, বাসন্তীতে ফের আক্রান্ত পুলিশ৷ পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টির অভিযোগ৷ ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন৷ বাসন্তী থানার ৯ নম্বর কুমড়োখালি গ্রামের ঘটনা৷ দেবদাস সাফুই নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করতে এলে বাঁধা দেয় পুলিশ৷ সেই সময় পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীদের ধস্তাধস্তি হয়৷ গ্রামবাসীদের অভিযোগ আসামি ধরার নাম করে গ্রামে ঢুকে মহিলাদের মারধর করেছে পুলিশ৷ সেই কারণে মহিলারা পথে নেমে পুলিশকে আসামি ধরতে বাঁধা দেয়৷ যদিও পুলিশ অভিযুক্ত ওই আসামিকে গ্রেফতার করেছে৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে৷ এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।