ছবি- প্রতীকী

স্টাফ রিপোর্টার, রায়গঞ্জ: হাসপাতালের মহিলা নিরাপত্তারক্ষীদের উপর হামলার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। ভিজিটিং আওয়ার্সের সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও হাসপাতালের ওয়ার্ডে প্রবেশ করতে গেলে এক ব্যক্তিকে বাঁধা দেয় এক মহিলা নিরাপত্তারক্ষী। বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে ক্ষুদ্ধ ব্যক্তি চড়াও হন দুই মহিলা নিরাপত্তারক্ষীর উপর। বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ ওঠে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে৷ অভিযুক্তের নাম নাজির হোসেন৷

এই ঘটনায় গুরুতর জখম হন দুই মহিলা নিরাপত্তারক্ষী। দুজনকেই রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে এক মহিলা নিরাপত্তারক্ষী সন্তান সম্ভবা। আর এই ঘটনা জানাজানি হতেই উত্তেজিত হয়ে ওঠেন হাসপাতালে থাকা অন্যান্য রোগীর আত্মীয় পরিজনেরা৷ গণধোলাই দেওয়া হয় অভিযুক্ত নাজির হোসেন নামে ওই ব্যক্তিকে। এরপর খবর দেওয়া হয় রায়গঞ্জ থানায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে গ্রেফতার করে ওই ব্যাক্তিকে।

প্রসঙ্গত, প্রসূতি বিভাগে সদ্যোজাত সন্তান ও স্ত্রীকে দেখতে রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে আসেন করনদিঘীর সাবধান গ্রামের বাসিন্দা নাজির হোসেন। কিন্তু হাসপাতালে রোগীর পরিবারের সাক্ষাতের নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত মহিলা নিরাপত্তারক্ষী জয়া মন্ডল ও সোমা ঘোষ সরকার সাক্ষাৎ প্রার্থী নাজির হোসেনকে হাসপাতালে প্রবেশ করতে বাঁধা দেয়।

হাসপাতালে ঢুকতে বাঁধা পেয়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে আচমকাই দুই মহিলা নিরাপত্তারক্ষীর উপর চড়াও হন ওই ব্যক্তি। অভিযোগ, দুই মহিলা নিরাপত্তারক্ষীকে ব্যাপক মারধর করে নাজির হোসেন। তাদের হাসপাতালেই একটি ওয়ার্ডে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। যাদের মধ্যে এক মহিলা নিরাপত্তারক্ষী সন্তান সম্ভবা। এরপরই হাসপাতালের অন্যান্য লোকেরা উত্তেজিত হয়ে গণধোলাই দেয় অভিযুক্ত নাজির হোসেনকে।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে রায়গঞ্জ থানায় নিয়ে যায়। অভিযুক্ত নাজির হোসেন মহিলা নিরাপত্তারক্ষীদের উপর হামলার ঘটনা স্বীকার করেছে। সেই ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়েছে৷ যদিও এই ঘটনায় রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনার পারদ একই রকম রয়েছে৷ পুলিশি নিয়ন্ত্রণে তা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ