স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে দলে নিলেও তাঁর ব্যাপারে হাত ধুয়ে ফেলল বিজেপি৷ বুধবার সকালে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বললেন, “দলের কারোর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ উঠলে দল তার দায় নেবে না৷”

মঙ্গলবার বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি। এদিন বিজেপিতে যোগ দিয়ে জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, ‘আজ থেকে আমার মনের ভাবনা স্বাধীনভাবে বলার সুযোগ পাবো। কারও বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ করতে চাই না। গত কয়েক বছর ধরে মনে ভাবনা প্রকাশ করার সুযোগ ছিল না। অনেক অভিজ্ঞতা মানুষকে বলার সুযোগ ছিল না’।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১৬ ডিসেম্বর আচমকা শহরের উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলে প্রথমে আসানসোল পুরনিগমের পুর প্রশাসক পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। পরে দলের জেলা সভাপতির পদও ছেড়ে দেন। ১৯ ডিসেম্বর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বাবুল সুপ্রিয়র বিরোধিতায় তা ভেস্তে যায়। এরপরই তিনি কলকাতায় রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলে নিজের ভুল স্বীকার করে আবার দলে ফিরে আসেন। তারপর তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলীয় সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন ও দলে কাজকর্ম শুরু করেন। কিন্তু ফিরে এসে নিজের হারানো ‘রাজত্ব’ ফিরে পাননি জিতেন্দ্র৷ অবশেষে মঙ্গলবার পদ্মশিবিরে নাম লেখান তিনি৷

জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে বিজেপিতে যোগদান করিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘আমরা বাংলায় পরিবর্তন করতে চেয়েছিলাম। জিতেনবাবু দলে এসে সেই পরিবর্তনে শরিক হলেন। উনি বলেছেন মনের কথা বলতে পারতেন না। মঞ্চে জয় শ্রী রাম বলতে পারতেন না। মনে মনে বলতেন।’

এদিকে, জিতেন্দ্ররই খাস তালুকে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক পোস্টার পড়তে দেখা যাচ্ছে। এই নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় পাণ্ডবেশ্বরের রাজনীতি। পাণ্ডবেশ্বর নাগরিক মঞ্চের নামে পড়া সেই পোস্টারে ‘বালি চোর বিধায়ক, আর নেই দরকার’ এমন লেখা দেখা যাচ্ছে৷ এপ্রসঙ্গেই সমস্ত দায় এড়ালেন দিলীপ৷ বললেন, “যতক্ষণ না কেউ অভিযুক্ত হচ্ছে ততক্ষণ তো তাঁকে দোষী বলা যায় না৷ তবে দলের কারোর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ উঠলে দল তার দায় নেবে না৷”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।