স্টাফ রিপোর্টার, আলিপুরদুয়ার: শহরের বুকে আউটডোর স্টেডিয়াম গড়ে তোলার কথা ঘোষণা করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। আগামী দিনে আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ডে গড়ে উঠবে আউটডোর স্টেডিয়াম। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের কথায়, “আলিপুরদুয়ার শহরে একটি স্টেডিয়াম তৈরির জন্য বিধায়ক ও জেলা শাসকের কাছে জমি চেয়েছিলাম। জমি হিসেবে তারা প্যারেড গ্রাউন্ডকে বেছে নিয়েছেন। স্টেডিয়াম তৈরির প্রস্তাব পেলে টাকা অনুমোদন করা হবে।”

এর আগে ২০১৬ সালে আলিপুরদুয়ারে স্টেডিয়াম তৈরি হওয়ার কথা ঘোষণা হয়। সেই সময়ে প্যারেড গ্রাউন্ডকেই বেছে নেয় প্রশাসন। তবে স্থানীয় মানুষদের আপত্তিতে পরবর্তীতে নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে যায় প্রশাসন। স্থানীয় মানুষদের দাবি, আলিপুরদুয়ারের ফুসফুস প্যারেড গ্রাউন্ড। গাছপালা পরিপূর্ণ এই জায়গায় স্টেডিয়াম নির্মিত হলে খেলাধুলো ও হাঁটাহাঁটির জায়গা থাকবে না। সে কারণেই এখানে স্টেডিয়াম চায় না স্থানীয় মানুষ।

এরপর অবশ্য বহু জল গড়িয়েছে প্যারেড গ্রাউন্ডের চারপাশে থাকা বহু গাছ কাটা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। মাঠের চারপাশে গড়ে তোলা হয়েছে পাঁচিল। লাগানো হয়েছে বিশাল লোহার গেট। সব মিলিয়ে সবুজ প্যারেড গ্রাউন্ড এখন অনেকটাই বদ্ধ। তবু যেটুকু আছে তা অনেক। তবে আগামী দিনে এখানে স্টেডিয়াম গড়ে উঠলে সেটুকুও নষ্ট হয়ে যাবে বলেই মনে করছে আশেপাশের মানুষেরা।

তাই শহরের অন্য জায়গায় স্টেডিয়াম গড়ে উঠলে ভাল হবে মনে করেন তারা। আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, “আলিপুরদুয়ার শহরে একটি স্টেডিয়াম তৈরির দাবি দীর্ঘদিনের। প্যারেড গ্রাউন্ড স্টেডিয়াম তৈরির জন্য আমরা জেলা প্রশাসনকে সবরকম সহযোগিতা করব।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।