ফাইল ছবি

দিসপুর: ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি অসমে৷ বৃষ্টি না কমায় যা আরও জটিল হচ্ছে৷ রাজ্যের ৩২টি জেলার মধ্যে ৩১-ই জলের তলায়৷ বন্যাদুর্গত বিহারও৷ ইতিমধ্যেইএই দুই রাজ্যে বন্যার জেরে প্রাণ গিয়েছে ৪৭ জনের৷

প্রকৃতির কোপ থেকে বাদ পড়েনি কাজিরাঙা অভয়ারণ্য। UNESCO স্বীকৃত এই অভয়ারণ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকাই জলের তলায় চলে গিয়েছে। প্রাকৃতির কুনজরে পড়া উত্তর পূর্বের এই রাজ্যের উপরে নজর রাখেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। বাহিনীর ৯৫টি কলামকে ত্রাণ কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে আরও ৩১টি কলামকে স্ট্যান্ড বাই রাখা হয়েছে।

হঠাৎ বিপর্যয়ের মুহূর্তে যাতে সতর্কবার্তা দেওয়ার সম্ভব হয়, সেই লক্ষ্যেই খোলা হয়েছে পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র৷ বন্যাকবলিত এলাকাগুলিতে নজরদারি করার জন্য ১৫২টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র খোলা হয়েছে। মঙ্গলবার অসমের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন সেনাবাহিনীর উচ্চ পদস্থ অফিসাররা। ত্রাণ ও উদ্ধারে সেনা সবসময় প্রস্তুত বলে তিনি তারা জানিয়েছেন। অসম রাজ্য প্রশাসন জানাচ্ছে বহ্মপুত্র ও তার শাখা নদীগুলির জল বিপদ সীমার উপর দিয়ে বয়ে চলেছে৷ যার জেরেই গুয়াহাটি শহরের বিস্তীর্ণ অংশ জলের তলায় রয়েছে৷

অতি বৃষ্টি ও নেপালের বাঁধ থেকে জল ছাড়ার কারণে অসমের পাশাপাশি জলের তলায় বিহারের বিরাট অংশ৷ রাজ্যের ১৬টি জেলার প্রায় ২৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ বন্যদুর্গত৷ পশ্চিমের রাজ্য পঞ্জাব ও হরিয়ানাতেও নাগাড়ে বৃষ্টি হয়ে চলেছে৷