কলকাতা: বাংলায় অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার৷ একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের বেশি৷ আক্রান্ত আরও ২ হাজার ৯০০ এর বেশি৷

শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ২,৯১২ জন৷ বৃহস্পতিবারের থেকে কম৷ সেদিন আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল ২,৯৫৪ জন৷ তবে এই পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়াল ৮৯ হাজার ৬৬৬ জনে৷ তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ হাজার ৬৫২ জন৷ একদিনে বেড়েছে ৮২৩ জন৷

একদিনে বাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৫২ জন৷ বৃহস্পতিবারের বুলেটিনে মৃতের সংখ্যাটা ছিল ৫৬ জন৷ সেই তুলনায় আজ শুক্রবার মৃতের সংখ্যা কম৷ তবে এই পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ১,৯৫৪ জনের৷

গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৩৭ জন৷ ফলে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৩ হাজার ৬০ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার ৭০.৩৩ শতাংশ৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৭০.৩৪ শতাংশ৷

বাংলায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা টেস্টের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ২৫ হাজার ২৫৪ টি৷ একদিনে বাংলায় এটাই সর্বোচ্চ টেস্ট৷ বৃহস্পতিবার ছিল ২৫ হাজার ২২৪ টি৷ এই পর্যন্ত মোট টেস্টের সংখ্যা ১০ লক্ষ ৫৪ হাজার ৫০৯ টি৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ১১,৭১৭ জন৷

যে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ২০ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনারও ১৪ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২ জন৷ হাওড়া ৮ জন৷ হুগলি ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ২ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ বীরভূম ১ জন৷ মুর্শিদাবাদ ১ জন৷ মালদা ১ জন৷ দার্জিলিং ১ জন৷

বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা পর্যন্ত যে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল৷ তাদের মধ্যে কলকাতার ছিল ২৭ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনারও ১৪ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৪ জন৷ হাওড়া ২ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ১ জন৷ নদিয়া ১ জন৷ মুর্শিদাবাদ ১ জন৷ উত্তর দিনাজপুর ২ জন৷ দার্জিলিং ৩ জন৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৫৯টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ৩ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷ বাংলায় ৮৩ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ২৮ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে আইসিইউ শয্যা রয়েছে ৯৪৮টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ৩৯৫টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

বৃহস্পতিবারের রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ২,৯৫৪ জন৷ রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল ৮৬ হাজার ৭৫৪ জনে৷ তবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল ২৩ হাজার ৮২৯ জন৷

একদিনে বাংলায় মৃত্যু হয়েছিল ৫৬ জন৷ বুধবারের বুলেটিনে মৃতের সংখ্যাটা ছিল ৬১ জন৷ সেই তুলনায় বৃহস্পতিবার মৃতের সংখ্যা কম ছিল৷ মোট মৃতের সংখ্যা ছিল ১,৯০২ জন৷

২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন ২ হাজার ৬১ জন৷ মোট সুস্থ হয়ে উঠেছিল ৬১ হাজার ২৩ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার ছিল ৭০.৩৪ শতাংশ৷ বুধবার ছিল ৭০.৩৬ শতাংশ৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও