স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যের শ্রম দফতরের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনের উপর হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু করছে এনআইএ৷ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তে সিট গঠন করেছে রাজ্য সরকার। তদন্তকারী দলের মাথায় এডিজি সিআইডি অনুজ শর্মা। জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহেই ফরেন্সিক রিপোর্ট হাতে পাবে সিট৷ সেই রিপোর্ট এনআইএ-কে হস্তান্তর করবে তারা৷ উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে খাগড়াগড়কাণ্ডের পর রাজ্যে দ্বিতীয় কোনও বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তভার নিল এনআইএ৷

১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৯ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ মুর্শিদাবাদের নিমতিতা স্টেশনের দু’নম্বর প্ল্যাটফর্মে মন্ত্রীর উপর বোমা হামলা চালায় অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় গুরুতর আহত হন রাজ্যের শ্রম দফতরের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। জাকিরের বাঁ পা এবং ডান হাতে গুরুতর আঘাত লাগে। বিস্ফোরণে আহত হন মন্ত্রীর দেহরক্ষী-সহ আরও কয়েকজন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় হয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেন।

নিমতিতা বিস্ফোরণকাণ্ডে দুজনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। সুতি থানার রঘুনাথপুর এলাকা থেকে আবু সামাদ নামে একজনকে গ্রেফতার করা করে সিআইডি। জিজ্ঞাসাবাদ করে শহিদুল শেখ নামে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন আইইডি ব্যবহার করা হয়েছিল। ব্যবহার করা হয়েছিল অ্যান্টি হ্যান্ডিং ডিভাইস। এই ধরনের আধুনিক বিস্ফোরক সাধারণত ব্যবহার করে থাকে বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন জামাত–উল–মুজাহিদিন (‌জেএমবি)‌ বা অন্য জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি। তার ফলে জঙ্গি–যোগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি তদন্তকারীরা।

উল্লেখ্য, এই বিস্ফোরণের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এটা পরিকল্পিত হামলা, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে মনে হচ্ছে, রিমোটের সাহায্যে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্যের আইন-শৃ্ঙ্খলার অবনতি নিয়ে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা খারিজ করে ঘটনার পুরো দায়ভার রেলের উপর চাপিয়েছেন তিনি। এরপরই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, রিমোল কন্ট্রোলে বিস্ফোরণ হলে এই মুহূর্তে এনআইএকে দিয়ে তদন্ত করা উচিত৷ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছে৷ অবশেষে তাঁদের দাবি মান্যতা পেল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।