বালুরঘাট: তৃণমূল পরিচালিত বালুরঘাট পুরসভার দীর্ঘ ৯ মাসের পুরপ্রধানের শূন্যপদে শপথ নিলেন রাজেন শীল৷ ২০১৫-র নভেম্বরে প্রয়াত হন তৎকালীন পুরপ্রধান চয়নিকা লাহা৷ তারপর থেকেই বালুরঘাট পুরসভার পুরপ্রধানের পদ ফাঁকাই ছিল৷ বালুরঘাট পুরসভার পুরপ্রধানের মৃত্যুর পর চয়নিকা লাহার মৃত্যুর প্রায় ৯ মাস পর আজই নতুন পুরপ্রধান নির্বাচিত হন রাজেন শীল৷

আজ, বুধবার সকালে বোর্ড-মিটিং চলাকালীন বিরোধীরা বোর্ড-মিটিং বয়কট করে বেরিয়ে আসেন৷ বিরোধী কাউন্সিলারদের দাবি, পুরপ্রধানের মৃত্যুর ১৫ দিনের মধ্য পরবর্তী পুরপ্রধানের এর নাম ঘোষণা করতে হয়৷ কিন্তু এক্ষেত্রে তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ তুলে বাম কাউন্সিলারদের দাবি, এতো দেরিতে নির্বাচন হওয়ায়, তারা এই নির্বাচনকে অবৈধ বলে মনে করছেন৷ বুধবার বাম কাউন্সিলারদের পক্ষ থেকে পুরপ্রধান নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বৈঠক ওয়াক আউট করা হয়৷

বোর্ড মিটিংয়ে তুমুল হট্টগোলের জেরে নতুন ভাইস চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণার কাজও থমে যায়৷ নতুন ভাইস চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণা না হলেও, এদিন পুরপ্রধানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়৷ এদিনের এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বালুরঘাটের সাংসদ অর্পিতা ঘোষ উদয়ন গুহ ও শঙ্কর চক্রবর্তী।

২০১৩ সালের নির্বাচনে বামেদের দখলে থাকা বালুরঘাট পুরসভার ২৫টি আসনের মধ্যে ১৪ টিতে জয়ী ছিনিয়ে নেয় তৃণমূল৷ পুরসভা দখল নিয়ে নতুন পুরপ্রধানের পদে বসেন চয়নিকা লাহা৷ ২০১৫ সালের ১৭ নভেম্বর পক্ষাঘাতে মৃত্যু হয় চয়নিকা লাহার। পুরসভার পুরপ্রধানের শূন্যপদ দখল নেওয়ার দৌড়ে প্রকাশ্যে আসে তৃণমূল কাউন্সিলরদের গোষ্ঠীকোন্দল৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে, পুরসভার ভাইস-চেয়ারম্যান রাজেন শীলকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়ায় হয়৷ পুরপ্রধানের পদের সমস্যা মিটতেই এবার ভাইস চেয়ারম্যান পদ দখলকে কেন্দ্র করে শুরু তৃণমূলের অন্দরে কোন্দল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।