স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: বাঁকুড়ার সিমলাপালের দুবরাজপুর ও বিক্রমপুর এলাকায় আলু বীজ তৈরির ক্ষেত ঘুরে দেখলেন বেঙ্গালুরুর আর্ট অফ দ্য লিভিং এর চেয়ারম্যান তথা কৃষি বিজ্ঞানী ডাঃ রাধারমন রেড্ডি।

রবিবার রাজ্য বীজ নিগমের ভাইস চেয়ারম্যান শুভাশিস বটব্যাল, সিমলাপাল ডেভেলপম্যান্ট সোসাইটির সম্পাদক অনুপ পাত্রকে সঙ্গে নিয়ে এই সব এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি৷ কথা বলেন এলাকার চাষীদের সঙ্গেও।

সিমলাপাল ডেভলপমেন্ট সোসাইটি এই এলাকার বেশ কয়েকটি মৌজায় এবছর প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে আলুবীজ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। ধানঘোরি, দুবরাজপুর, কুমারডোবা, লায়েকপাড়া, দোলদেড়িয়া মৌজার 20 একর জমিতে এবার তাঁরা আলুর বীজ তৈরীর উদ্যোগ নিয়েছেন। এদিন সেসবই পরিদর্শনের পর কৃষকদের উৎসাহ দেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

সংস্থার সম্পাদক অনুপ পাত্র জানান, সিমলাপালের কৃষকদের মাঠে সরজমিনে গিয়ে আলু চাষ নিয়ে আলোচনা ও মত বিনিময় করেন কৃষি বিজ্ঞানী ডঃ রাধারমণ রেড্ডি। তিনি প্রাকৃতিক জৈব পদ্ধতি অবলম্বন করে চাষ করলে চাষের খরচ কত কমে যায় সে ব্যাপারে কৃষক দের বোঝান।

রাজ্য বীজ নিগমের ভাইস চেয়ারম্যান শুভাশিস বটব্যাল বলেন, দক্ষিণ বাঁকুড়ায় সিমলাপালে এই প্রথমবার আলু বীজ তৈরীর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে একজন চাষীর প্রয়োজনীয় বীজ নিজেই যেমন তৈরী করতে পারবেন তেমনি অন্য চাষীদের সেই বীজ বিক্রিও করা যাবে। এই কাজে সাফল্য পেলে শুধুমাত্র পাঞ্জাবের আলু বীজের উপর চাষীদের নির্ভর করতে হবে না। আর আলুচাষে উৎপাদন খরচও এক ধাক্কায় অনেকটা কমে যাবে।

কৃষি বিজ্ঞানী ডঃ রাধারমণ রেড্ডি সিমলাপালের আলু বীজ তৈরীর ক্ষেত্র ঘুরে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। চাষীদের সাথে আলাদাভাবে কথা বলে বৈজ্ঞানিক কৃষি পদ্ধতি নিয়েও চাষিদের বোঝান। এলাকার আলু চাষীরাও খুশি এই ধরণের উদ্যোগে৷