স্টাফ রিপোর্টার, হলদিয়া: হলদিয়া পুরসভার নতুন চেয়ারম্যান হলেন সুধাংশু সেখর মন্ডল। এতদিন তিনি ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছিলেন।
ফলে ২০ দিন পর নতুন পুর প্রধান পেলেন শিল্প শহর হলদিয়ার বাসিন্দারা। যদিও নতুন পুর প্রধান হিসেবে কাজে যোগ দেওয়ার পরও প্রকাশ্যে চলে এসেছে শাসক দলের গোষ্ঠী কোন্দল। আর যা নিয়ে ভোটের মুখে শুরু হয়েছে ব্যাপক রাজনৈতিক তরজা।

গত ১৫ জানুয়ারি হলদিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান শ্যামল আদক ইস্তফা পত্র জমা করেন। সেই ইস্তফা গৃহীত হয় ২ ফেব্রুয়ারি। শুক্রবার সেই পদের দায়িত্ব পান হলদিয়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সুধাংশু সেখর মন্ডল। হলদিয়া পুরসভার কাউন্সিলরদের উপস্থিতিতেই সুধাংশুবাবু দায়িত্ব ভার গ্রহন করেন।

উলেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছাড়ার পর থেকে ক্রমশ ভাঙ্গন লেগেই চলেছে তৃণমূল কংগ্রেসে। তবে দল না ছাড়লেও হলদিয়া পুরসভার পুরপিতার পদ থেকে পদত্যাগ চেয়েছিলেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা শ্যামল আদক। ১৫ জানুয়ারী শুক্রবার তিনি পদত্যাগ করেন হলদিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে।

এদিকে শুভেন্দুর দলবদলের পরই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা জুড়ে পদত্যাগের হিড়িক লেগেছে তৃণমূল নেতাদের মধ্যে। কাঁথি পুরসভার প্রাক্তন প্রশাসক সৌমেন্দু অধিকারীর দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পর এবার পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করলেন শ্যামল আদক। গত বেশ কয়েকদিন ধরে তাকে নিয়ে জল্পনা লেগেই চলেছিল। এরইমধ্যে পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর দলবদলে জল্পনা প্রকট হয়ে ওঠে।

শুক্রবার তিনি হলদিয়া পুরসভার কাউন্সিলর দীপক পন্ডা পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসারের কাছে ইস্তফাপত্র দিয়ে আসেন। হলদিয়া পুরসভা ২৬ টি আসনের মধ্যে ২৬ টিই তৃণমূলের দখলে। সেই পুরসভার চেয়ারম্যান হিসাবে ক্ষমতা সামলিয়ে এসেছিলেন শ্যামল আদক। তবে সম্প্রতি কাজ করার ক্ষেত্রে ভীষণ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলেই তিনি তার পদ থেকে ইস্তফা দেন বলে জানান। সেই শূন্য পদে শুক্রবার দায়িত্ব নিলো হলদিয়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সুধাংশু সেখর মন্ডল।

দায়িত্ব ভার গ্রহন করার পর তিনি বলেন, “আগে কাউন্সিলরদের মধ্যে অনেক সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যা দূর করতে হবে। পাশাপাশি হলদিয়া পুরসভার পরিসর অনেক বড়। সকলকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়নের কাজ করতে হবে। মনের মধ্যে থাকা ক্ষোভ দূরে সরিয়ে সকলকে কাছে টেনে নিয়ে উন্নয়নের কাজ করতে হবে। তবে এদিন ভাইস চেয়ারম্যান কে হবে তা ঠিক করা হয়নি বলে জানানো হয় হলদিয়া পুরসভার পক্ষ থেকে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.