মুম্বই: দলের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করলেন শিবসেনা মুখপাত্র তথা সাংসদ সঞ্জয় রাউত। হিন্দুত্ব নিয়ে কোনও রাখঢাক না করেই সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর সাফ জবাব, ‘‘হিন্দুত্ব আমাদে হৃদয়ে-চর্চায়। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী দেশ হল ধর্মনিরপেক্ষ।’’

করোনাকালে মহারাষ্ট্রের সব মন্দিরের দরজা বন্ধ। যা নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরেই সেরাজ্যে পূজারিদের একাংশ আন্দোলনে নেমেছেন। তাঁদের যুক্তি, ‘‘করোনা আবহে রেস্তোঁরা, পানশালা খোলা গেলে মন্দিরের ক্ষেত্রেই কেন আপত্তি রাজ্য সরকারের?’’ সাধুদের এই দাবিকে সমর্থন জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগ‍ৎ সিং কোশিয়ারি।

চিঠি লিখে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেকে কটাক্ষ করেছেন ভগ‍ৎ সিং কোশিয়ারি। দিন কয়েক আগে লেখা ওই চিঠিতে উদ্ধব ঠাকরেকে রাজ্যপাল লিখেছেন, ‘‘হিন্দুত্বের সমর্থক আপনি। শ্রীরামের প্রতি প্রকাশ্যে ভক্তি প্রকাশ করেছেন। তবে মন্দির খোলার বিষয়টি বারবার কেন পিছিয়ে দিচ্ছেন? সেকুলার হয়ে গেলেন নাকি?’’

সঞ্জয় রাউত

সেই চিঠির জবাব দিতেও দেরি করেননি উদ্ধব। রাজ্যপালকে পাল্টা চিঠিতে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী লিখেছিলেন, ‘‘আমার হিন্দুত্বের সার্টিফিকেট আপনাকে দিতে হবে না। ধর্মের চেয়েও অনেক আগে মানুষের প্রাণ। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে কোনওভাবেই মন্দিরের দরজা খোলা যাবে না। মন্দিরে পুজো দিতে হলে অনলাইনের মাধ্যমেই দিতে হবে।’’

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের দেখানো পথেই হাঁটলেন দলের সাংসদ সঞ্জয় রাউত। হিন্দুত্ব নিয়ে তাঁরও চিন্তাভাবনা খুবই স্পষ্ট। অকপটে সংবাদসংস্থা এএনআইকেও জানালেন সেকথাই।

হিন্দুত্ব নিয়ে কোনও রাখঢাক নেই সেনা-সাংসদের। তিনি বলেন, ‘‘দেশের সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, রাজ্যপালের পদ ধর্মনিরপেক্ষ। হিন্দুত্ব আমাদে হৃদয়ে-চর্চায়। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী দেশ হল ধর্মনিরপেক্ষ।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।