স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: বাড়ির বাথরুম থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় কিশোরীর দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য। তবে মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে মৃত্যু হয় ওই কিশোরীর। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের চাঁচল থানা এলাকার ভবানীপুর গ্রামে।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত কিশোরীর নাম পূজা সাহা (১৩)। বুধবার বিকেলে তার মা অনিতা সাহা চাঁচোল হাটে বাজার করতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ে বাড়িতে ছিলেন ওই কিশোরী ও তার বাবা। দুপুরে খাওয়া দাওয়ার পর মৃত কিশোরীর বাবা সুকুমার সাহা ঘুমোতে যান। কিছুক্ষণ পরেই পোড়া গন্ধ পান তিনি। বাইরে বেরিয়ে দেখেন বাথরুম থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছে। মেয়েকে দেখতে না পেয়ে বাথরুমের দরজা ভেঙে ঢোকেন তিনি।

সেখানে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় মেয়েকে উদ্ধার করে প্রথমে চাঁচল হাসপাতাল ও পরে মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন তিনি। তবে মালদহ হাসপাতালে নিয়ে আসার পথেই মৃত্যু হয় ওই কিশোরী। মাত্র ১৩ বছরের ওই বালিকা কিভাবে নিজের গায়ে আগুন দিলেন এবং কেন এই আগুন দেওয়া তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে পরিবারের৷ ক্রমশ দানা বাঁধছে রহস্য৷ এই ঘটনার কারণ পরিবারের সদস্যদের অজানা বলে দাবি করেছেন তাঁরা৷

একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে পুলিশের দাবি, এই ঘটনায় কেউই সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয়। যদিও মৃত্যুর কারণ নিয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি মৃতার বাবা এবং মা। ঘটনার তদন্তে নেমেছে চাঁচল থানার পুলিশ।