কলকাতা: লকডাউনে বন্ধ রয়েছে নির্মাণ কাজ৷ সমস্যায় শ্রমিকরা৷ এবার তাদের কথা চিন্তা করে বাড়ি-ঘর মেরামতির জন্য ছাড় দেবে পুরসভা৷ অবশ্যই কন্টেনমেন্ট জোনের বাইরে৷ আবেদন করা যাবে একটি নির্দিষ্ট অ্যাপে৷

কলকাতা পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, কন্টেনমেন্ট জোনের বাইরের এলাকায় বাড়ি-ঘর মেরামতির জন্য ছাড় পাওয়া যেতে পারে৷ এই সুবিধে পেতে নাগরিকদের অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে৷ কোন ওয়ার্ডে কোন এলাকায় তাঁর সম্পত্তি রয়েছে তার বিস্তারিত জানাতে হবে৷ এর মধ্যে মালিকের নাম, মালিকের মোবাইল নম্বরসহ অন্যান্য তথ্য আবেদন পত্রে উল্লেখ করতে হবে৷

বাড়ি-ঘর মেরামতির জন্য ছাড় দিতে ইতিমধ্যেই অনলাইনে বিশেষ ফর্ম তৈরি হয়েছে৷ ফর্ম ভর্তি করতে শীঘ্রই একটি অ্যাপ চালু হবে৷ সেখানেই আবেদন করতে পারবেন নাগরিকরা৷ তবে সব দিক বিচার করে তবেই পুরসভা এ ব্যাপারে অনুমতি দেবে। নির্মাণ কাজ চলাকালিন মানতে হবে বেশ কিছু নিয়ম৷

এদিকে কলকাতা পুরসভার প্রশাসক বোর্ডকে এক মাসের জন্য কাজ করার সুযোগ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেই মাথায় রেখে ১৪ জনের বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর গঠনের পর প্রথম বৈঠকে প্রশাসক ফিরহাদের বার্তা, করোনা মোকাবিলায় সবাইকে কাজ করতে হবে।

করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় আগেই পাঁচটি টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে কলকাতা পুরসভা৷ তৎকালিন মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, পাঁচটি টাস্ক ফোর্স ভিন্ন ভিন্ন কাজ করবে।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি টাস্ক ফোর্সের কাজ হবে গোষ্ঠী সংক্রমণ রুখতে কোন কোন লেন, রাস্তা, এলাকা সিল করা জরুরি, কী ভাবে ওই এলাকার বাসিন্দারা খাদ্যসামগ্রী পাবেন, কোথায় কোথায় নিয়মিত জীবাণুনাশক স্প্রে করা হবে, এলাকার মানুষের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করা। অর্থাৎ যত শীঘ্র সম্ভব রেড জোনকে গ্রিন জোনে নিয়ে আসা। ওই টাস্ক ফোর্সে পুরসভার সঙ্গে পুলিশ, রাজ্য প্রশাসন, স্বাস্থ্য দফতর এবং স্থানীয় কাউন্সিলরা থাকছেন।

আর একটি টাস্ক ফোর্সের কাজ করোনা আক্রান্ত ছাড়াও সাধারণ সর্দি, কাশি, জ্বরে আক্রান্তদের উপরে নজরদারি এবং তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা। অন্য আর একটি টাস্ক ফোর্সের কাজ হবে, বাজারগুলোয় জরুরি সামগ্রী সুষ্ঠু ভাবে বিক্রির উপরে নজর রাখবে একটি টাস্ক ফোর্স। তাতে পুলিশও থাকবে। বাকি দু’টি টাস্ক ফোর্স রেশন, ত্রাণের সুষ্ঠু বণ্টন ও করোনা মোকাবিলার সামগ্রীর জোগানের দিকে নজরদারি চালাবে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।