স্টাফ রিপোর্টার, কোচবিহার: ফাঁসিঘাট দিয়ে তোর্সা সেতু তৈরির দাবিতে ‘ফাঁসিঘাট সেতু আন্দোলন কমিটি’ কোচবিহারে আন্দোলন শুরু করেছে৷ তাদের এই আন্দোলন কোচবিহারে যথেষ্ট সাড়াও ফেলেছে৷

নানা শ্রেণির মানুষ এই আন্দোলনে স্বেচ্ছায় যোগদান করেছেন৷ এলাকার বিধায়ক মিহির গোস্বামী এই সেতুর প্রয়োজনীয়তার কথা মেনে নিয়েছেন৷ তিনি আশ্বাস দিয়েছেন এই বিষয়ে সরকারি তরফে চেষ্টা করবেন৷

আরও পড়ুন: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় ‘ডিলিট’ সম্মানে সম্মানিত হলেন

এই আন্দোলন কমিটির দাবি, ফাঁসি ঘাট থেকে কোচবিহার-১ ব্লকের টাপুরহাট, সুকটাবাড়ি এলাকার দূরত্ব মাত্র এক বা দুই কিলোমিটার৷ কিন্তু সেখানে কোনও সেতু না থাকায় যাতায়াতের জন্য ঘুরে যেতে ঘুঘুমারি দিয়ে৷ তোর্সা সেতু যার দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার৷

এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় ছাত্র ছাত্রী ও চিকিৎসা করতে আসা রোগীদের৷ ফাঁসিঘাটে সেতু হলে কোচবিহার-১ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের কোচবিহার শহরের সঙ্গে যোগাযোগ যেমন সহজ হবে, তেমনই কোচবিহার থেকে দিনহাটার বেশ কিছু এলাকা, মাথাভাঙা, মেখলিগঞ্জের দূরত্বও কমে যাবে৷

আরও পড়ুন: ত্রিপুরা এফেক্ট! তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে শতাধিক সংখ্যালঘু মানুষ

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এমনিতে বছরের যে সময়টা নদীতে জল কম থাকে, তখন অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত এলাকার বাসিন্দারা৷ জল কিছুটা বাড়লে জীবনের ঝুকি নিয়েই নৌকা দিয়ে পারাপার হয় মানুষ৷ কিন্তু বছরের বেশির ভাগ সময় যখন তোর্সায় জল বেশি থাকে, তখন বন্ধ থাকে পারাপার৷ সেই সময় চরম অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয় এলাকার বাসিন্দাদের৷

এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কোচবিহার শহরের ফাঁসিঘাট দিয়ে সেতুর দাবি উঠছে অনেক দিক থেকেই৷ ‘ফাঁসির ঘাট সেতু আন্দোলন কমিটি’ নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন এই দাবিকে সামনে রেখে আন্দোলন শুরু করেছে৷ তাঁরা মিটিং-মিছিল ছাড়াও প্রশাসনের কাছে চিঠিপত্র দেওয়ার মাধ্যমে এই দাবির সমর্থনে জনমত গঠন করেছে৷

আরও পড়ুন: ফাঁকা ক্লাসরুমে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

এই সংগঠনের সভাপতি কৌসর আলম ব্যাপারী বলেছেন, ‘‘এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি৷ এর ফলে অনেক মানুষ উপকৃত হবেন৷ এই সেতু হলে কোচবিহার-১ ব্লকের বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন চিত্র বদলে যাবে বলেও দাবি করেছেন তিনি৷