নয়াদিল্লি: করোনা মোকাবিলায় এবার বড় পদক্ষেপ নিল মোদী সরকার। সাধারণ মানুষের জন্য আনা হল একগুচ্ছ নতুন সুবিধা। করোনা আতঙ্কে দেশ যখন পুরোপুরি লকডাউন, তখন কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে মুখে হাসি ফোটার সম্ভাবনা মধ্যবিত্ত ও দরিদ্রদের মুখে।

লকডাউনের সিদ্ধান্ত মাথায় রেখে চালু করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যান যোজনা। এই পরিষেবায় একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। রেশনে তিন মাস নিখরচায় মাসে মাথাপিছু ৫ কেজি চাল বা গম, পরিবার-পিছু ১ কেজি ডাল পাবেন ৮০ কোটি গরিব মানুষ। মোদীর দাবি, এই প্যাকেজের ফলে গরিব ও অশক্তদের জীবন ও খাদ্য-নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হবে।

এছাড়াও, ১০০ দিনের কাজের আওতায় থাকা শ্রমিকদের পারিশ্রমিক বাড়িয়ে ২০২ টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ৷ কিন্তু এক্ষেত্রে বিরোধীদের অভিযোগ, প্রতি বছরই মূল্যবৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে এপ্রিলে মজুরি বাড়ানো হয়।

৩ কোটি গরিব প্রতিবন্ধী, বয়স্ক, বিধবার জন্য ১ হাজার টাকা, দু’কিস্তিতে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এছাড়াও যে সব মহিলাদের জনধন অ্যাকাউন্ট রয়েছে তাদের আগামী তিন মাসের জন্য ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে ৷

প্রাইভেটের কর্মীদের বড় পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। ঘোষণায় বলা হয়েছে, ১০০ বা তার কম কর্মী আছে এবং ৯০%-র বেতন ১৫ হাজারের নীচে, তাদের হয়ে প্রভিডেন্ট ফান্ডে ২৪ শতাংশ টাকা জমা দেবে কেন্দ্র ৷ কোনও কর্মী চাইলে প্রভিডেন্ট ফান্ডের ৭৫ শতাংশ অথবা তিন মাসের বেতন আগাম তুলতে পারবেন ৷

এছাড়াও ৮.৩ কোটি বিপিএল পরিবারকে আগামী ৩ মাস নিখরচায় গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। করোনা চিকিৎসার সময় দুর্ঘটনা ঘটলে স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের জন্য ৫০ লক্ষ টাকার বিমা ঘোষণা করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।