ভারতীয় টেলকম দফতরে ফাইভ-জি স্পেকট্রামের দাম কমানোর জন্য আর্জি জানিয়েছে সেলুলার অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (সিওএআই)। কিছুদিন আগেই ভারতে নিলাম করা হয়েছিল ফাইভ-জি পরিষেবার ব্যান্ডগুলি। তবে দেখা যায় দামের জন্য একাধিক ব্যান্ড না কিনে ফিরে যেতে হয় ভারতীয় টেলিকম সংস্থাগুলিকে। আর সেই কারণে ৩৩০০-৩৬০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডের দাম কমানোর জন্য সমস্ত টেলিকম সংস্থা বিবেচনা করার কথা জানায় টেলিকম মন্ত্রককে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারতের টেলিকম রেগুলেটরি অথারিটি অব ইন্ডিয়া প্রতিটা মেগাহার্জ ব্যান্ড স্পেকট্রামের দাম ৪৯২ কোটি টাকা রাখার পরামর্শ দিয়েছিল। সম্প্রতি ভারতের ডিপার্টমেন্ট অফ টেকনোলজি তেরোটি টেলিকম অপারেটর সংস্থাকে ফাইভ-জি পরীক্ষামূলক পরিষেবা পরিচালন করার অনুমোদন দিয়েছে।

টেলিকম মন্ত্রালয় টেলিযোগাযোগ সংস্থাগুলিকে ফাইভ-জি ট্রায়াল পরিচালনা করার জন্য ৭০০ মেগাহার্জ, ৩.২ গিগাহার্জ থেকে ৩.৬৭ গিগাহার্জ এবং ২৪.২৫ গিগাহার্জ থেকে ২৮.৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। এছাড়াও টেলিকম পরিষেবা সরবরাহকারীদের ভারতের পরিচালনার জন্য ৮০০ মেগাহার্জ, ৯০০ মেগাহার্জ, ১৮০০ মেগাহার্জ এবং ২৫০০ মেগাহার্জ ব্যবহার করার অনুমতিও মিলেছে।

ফাইভ-জি পরিষেবার পরীক্ষাটি নিলামের সময়ের ব্যবধান হ্রাস করে খুব শীঘ্রই রোল-আউট করা হবে বলে আশাকরা হচ্ছে। টেলিকম সংস্থাগুলি বেশ খানিকটা সময়ের সঙ্গে পরিষেবা বাজারে আনতে পারে।

টেলিকম সেক্রেটারি অংশু প্রকাশ জানিয়েছেন, তালিকায় থাকা টেলিকম অপারেটরগুলো বিনামূল্যে পাবে স্পেক্ট্রাম ট্রায়লের পরিষেবা। সংস্থাগুলোকে পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত কোনো মূল্য দিতে হবে না। ভারতীয় সেটিংসে ফাইভ-জি প্রয়োগ পরীক্ষা করা হবে বলেও জানিয়েছেন টেলিকম সেক্রেটারি।

টেলিকম মন্ত্রকের তরফে আরও জানানো হয়েছে, সমস্ত টেলিকম সংস্থাগুলোকে এই পরীক্ষা করতে হবে ছয় মাসের মধ্যে। পরীক্ষার জন্য বেঁধে দেওয়া হয়েছে শহর এবং আধা-শহুরে জায়গাগুলো।

ফাইভ-জি পরিষেবা চালু করার ক্ষেত্রে কানাডা, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং ফিলিপাইনস এর থেকে পিছিয়ে রয়েছে ভারত। তবে সম্প্রতি টেলিকম মন্ত্রক সমস্ত টেলিকম অপারেটরদের ফাইভ-জি পরিষেবা সরবরাহ করার অনুমতি দিয়েছে। অন্যদিকে অধিক পরিমাণ বিনিয়োগ প্রয়োজন রয়েছে ফাইভ-জি পরিষেবা জন্য,যার কারণেই শীঘ্রই এই পরিষেবা শুরু করা সম্ভব নই ভারতের মত বৃহৎ জনবহুল রাষ্ট্রে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.