নয়াদিল্লি: ভাল থাকতে গেলে আমিষ খাওয়া ছাড়ুন। এবার একেবারে সরাসরি এই পরমার্শ দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে এই নিদান দেওয়া হয়েছে দেশবাসীর জন্য। দুটি ছবি পোস্ট করে বোঝানো হয়েছে যে নিরামিষ খেলে রোগা থাকা যায় আর আমিষ খেলে মোটা হয়ে যায়।

ট্যুইটারে ওই ছবি পোস্ট করে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। যদিও সেই ছবি নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই ট্যুইটটি ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই ব্যঙ্গ করে ট্যুইট করেন।

কী খাবেন দেশবাসী, সে ব্যাপারেও আমজনতাকে প্রভাবিত করবে কেন্দ্রীয় সরকার?‌ এমনই অভিযোগ উঠেছে ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে। তাদের টুইটার হ্যান্ডলে একটি ছবি দিয়ে দাবি করা হয়েছে,‌ আমিষ নাকি কুখাদ্য। শরীর সুস্থ রাখতে গেলে নাকি একমাত্র নিরামিষই ভরসা।

একজন স্থূলকায়া ও আর একজন তন্বী মহিলার ছবি পাশাপাশি রেখে ওই ট্যুইটে প্রশ্ন করা হয়েছে, ‘‌আপনি কোনটা চান?‌’‌ নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্তা বলেন, ‘‌পরোক্ষে দেশের মানুষকে নিরামিষ খাওয়াতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। এভাবে খাদ্যাভ্যাসকে প্রভাবিত করার চেষ্টা ঠিক নয়।’‌ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের ওই টুইটে অস্বাস্থ্যকর বলে দাবি করা হয়েছে ডিমকেও। এর প্রতিবাদে মুখ খুলেছেন পরিচালক শিরীষ কুন্দের। টুইটারে লিখেছেন, ‘‌ডিমও অস্বাস্থ্যকর!‌ এরা তো বিজ্ঞানকেও বদলে দেবে!‌’‌

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।