নয়াদিল্লি:  ‘প্রহার’ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা (ডিআরডিও)।জানা গিয়েছে, ১৭০-কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রকে রফতানি জন্য খুলে দিয়েছে ভারত। ২০১৪ সালে সোলে প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে এই ক্ষেপণাস্ত্রকে রেখেছিল ভারত। সেখানেই বেশ কিছু রাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্রটির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

রফতানি আগে একটা সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ ক্ষেপণাস্ত্রটির চাহিদা বাড়াবে৷ এর আগে ২০১১ সালের জুলাইতে এই ক্ষেপণাস্ত্রের শেষবার পরীক্ষা করা হয়েছিল। প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহেই প্রহার-এর পরীক্ষা করা হবে। জানা গিয়েছে, ভারতের প্রহারকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যাটাক্যাম্স’ এবং পাকিস্তানের ‘নাসর’ মিসাইলের উত্তর হিসেবেও বর্ননা করছে অনেকে৷ এই ক্ষেপণাস্ত্রে রয়েছে অত্যাধুনিক ইনারশিয়াল নেভিগেশন সিস্টেম এবং ইলেক্ট্রো-মেকানিকাল অ্যাকচুয়েশন সিস্টেম, যা অন্যান্য দেশের হাতে থাকা এই শ্রেণীর বাকি ক্ষেপণাস্ত্রগুলির চেয়ে প্রহারকে অনেকটাই এগিয়ে রেখেছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি যে কোনও পরিবেশে, যে কোনও আবহাওয়ায় ব্যবহার করা যাবে বলে দাবি ডিআরডিও-র।

 মূলত, যুদ্ধে সাপোর্ট সিস্টেম হিসেবে কাজ করবে এই ক্ষেপণাস্ত্র। ক্ষেপণাস্ত্রটির মোট ওজন প্রায় ১৪০০ কেজি। এটি ২০০ কেজির ওয়ারহেড (বিস্ফোরক) বহনে সক্ষম। জানা গিয়েছে, অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে একে এক জায়গা থেকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা সম্ভব। ক্যানিস্টার-লঞ্চারে একসঙ্গে ৬টি মিসাইল ভরে নিক্ষেপ করা যায়। মিসাইগুলিকে যে কোনও দিকেই নিক্ষেপ করা সম্ভব। সবচেয়ে বড় কথা, এই ক্ষেপণাস্ত্রের নির্মাণ খরচও অত্যন্ত কম।