বর্ধমান: তর্পণ করতে গিয়ে দামোদরে তলিয়ে গেলেন আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের দাদা অসীম ঘটক৷ আজ সকালে তিনি বর্ধমানের হীরাপুরের দামোদরে তর্পণ করতে যান৷সেখানেই হঠাৎই তলিয়ে যান তিনি৷

পেশায় আইনজীবী অসীম ঘটকের সন্ধানে দামোদরে শুরু হয়েছে তল্লাশি৷ নামানো হয়েছে ডুবুরি৷ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দল৷মন্ত্রীর দাদা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী৷ভিড় জমান শাসক দলের নেতারাও৷ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পৌঁছে যান আসানসোল পুরনিগমের মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারি৷

এদিনের এই দুর্ঘটনার বেশ তৎপতার সঙ্গে কাজ শুরু করেছে জেলা পুলিশ৷ গোটা ঘাট ফাঁক করে চলছে তল্লাশি অভিযান৷ সাহায্যে নেমেছেন স্থানীয়রাও৷প্রায় ঘণ্টা তিনেক ধরে তল্লাশি অভিযোগ চললেও অসীম-বাবুর দেহ এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি৷

কিন্তু, ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা এখনও স্পষ্ট করতে পারেনি পুলিশ৷ স্থানীয়দের অনুমান, পা পিছলেই জলেই পড়ে যাতে পারেন তিনি৷ স্থানীয়দের দাবি, জোয়ার জলের টানেই তলিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন তিনি৷

তর্পণ করতে গিয়ে নিখোঁজ কালনা ও কাটোয়ার দু’জন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বাবা মধুসূদন চৌধুরীকে নিয়ে বর্ধমান থানার বসতপুর এলাকার বাসিন্দা হিমাদ্রি চৌধুরী কালনার মালতিপুরে গোবার ঘাটে যায় তর্পণ করাতে। হিমাদ্রি অভিরামপুর পলিটেকনিক কলেজের ছাত্র। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এদিন সকালে গঙ্গায় নামার পরই তলিয়ে যায় হিমাদ্রি। এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত তার কোনও হদিশ মেলেনি।

অন্যদিকে, বহরমপুরের একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী আসানসোলের ডিপো পাড়ার বাসিন্দা সঞ্জীব কবি (৩৪) তর্পণ করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান। সোমবার কাটোয়ার মাষ্টারপাড়ায় তিনি তাঁর মামারবাড়িতে আসেন। মঙ্গলবার সকালে মামা বিষ্ণু গোস্বামীর সঙ্গে কাটোয়ার ৬নং ওয়ার্ডের দেবরাজ ঘাটে যান তর্পণ করতে। গঙ্গায় নামার পরই জলস্রোতে আচমকাই তিনি তলিয়ে যান। এদিন বিকাল পর্যন্ত এই দুজনের কোনও হদিশ মেলেনি। পুলিশ দুটি ঘটনাস্থলেই হাজির হয়ে উদ্ধারের চেষ্টা করছে।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।