তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পরেই করোনা মোকাবিলায় লকডাউন চালাকালীনই রাজ্যের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে শুরু প্রশাসনিক তৎপরতা।

ইতিমধ্যেই ৪০টিরও বেশি বাসে আটকে থাকা শ্রমিকেরা বর্ধমান-হুগলি সীমান্তের কোতুলপুর এলাকায় এসে পৌঁছেছে। ওই পরিযায়ী শ্রমিকেরা জানিয়েছেন, তাঁরা ওন্দার পুনিশোল-সহ বাঁকুড়ার খাতড়া মহকুমা এলাকার সিমলাপাল, রাইপুর, সারেঙ্গা, রানীবাঁধ, ইন্দপুর এলাকা থেকে চাষের কাজে সিঙ্গুর, চণ্ডীতলা, আরামবাগ, গলসি এলাকায় গিয়েছিলেন।

নিজেদের এলাকায় সেভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় ফি বছর তাঁরা সপরিবারে হুগলি-বর্ধমান জেলায় ‘পূব খাটতে’ যান। কিন্তু এবছর করোনার উপস্থিতি ও তার জেরে লকডাউন সব ওলট-পালট করে দিয়েছে। কাজ বন্ধ রেখে ওই সব জায়গাতেই তাঁরা আটকে ছিলেন। তবে প্রশাসনিক সহযোগিতায় তাঁরা প্রত্যেকেই খুশি বলে জানিয়েছেন।

বাড়ি ফেরার পথে হাবু বাউরি, অষ্টমী বাউরিরা জানান, তাঁরা প্রত্যেকেই চাষের কাজ করতে গিয়েছিলেন। লকডাউনে আটকে পড়ায় খুব সমস্যা হচ্ছিল। বাড়ি ফিরতে পেরে তাঁরা খুশি বলে জানান।

কিন্তু এই অবস্থাতেও খুশি নন ওই পরিযায়ী শ্রমিকদের একাংশ। তাঁদের নিজেদের বাড়িতে না রেখে আপাতত ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রাখার দাবিই জোরালো হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.