মহিলাদের মেক আপ নেওয়ার ক্ষেত্রে লিপস্টিকের ছোঁয়া আলাদা মাধুর্য আনে৷ আর বিশ্বের প্রথম সারির লিপস্টিকের মধ্যে অন্যতম পরিচিত ব্র্যান্ড হল ‘ভিভা গ্ল্যাম’ লিপস্টিক যা তৈরি করে ম্যাক নামক সংস্থা । এই সংস্থা শুধু লিপস্টিক তৈরি করে এমন নয়, এই ব্র্যান্ডের প্রসাধনী রেঞ্জের খ্যাতি রয়েছে বিশ্বজোড়া। তবে এই প্রসাধনী সংস্থার একটি নজিরবিহীন খবর হল – বিগত ২৫ বছর ধরে ম্যাক তাদের ‘ভিভা গ্ল্যাম’ লিপস্টিক বিক্রি থেকে প্রাপ্ত পুরো অর্থ এইডস রোগ প্রতিরোধ গবেষণায় দান করছে।

এই টাকার অংকটা নেহাত কম নয়, ‘ভিভা গ্ল্যাম’ লিপস্টিক বিক্রি করে প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলার এইডস রোগ প্রতিরোধ গবেষণায় দান করেছে ম্যাক সংস্থা কর্তৃপক্ষ। এই দান ছাড়াও সমাজে পিছিয়ে পড়া শ্রেণি, এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায় এবং নারী ও বাচ্চা মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেশ বড় অংকের টাকা দান করার কথা সম্প্রতি ঘোষণা করেছে এই সংস্থাটি ৷

পড়ুন: ‘অগ্নিদেব’ সূর্যকে পুড়িয়ে ছারখার করতে পারে নক্ষত্র দৈত্য

সংস্থার কর্তা জন ডেমসি জানিয়েছেন, ১৯৯৪ সালে এই উদ্যোগ শুরু করার সময় ভাবা যায়নি তা এমন বড় আকার নেবে। তবে ২৫ বছর পার করার পর সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা মাথায় রেখে এই সংস্থা এমন পদক্ষেপ করেছে৷ পাশাপাশি জানানো হয়েছে, আগামী ৩ বছর, প্রতি বছর সাড়ে ১০ কোটি টাকা করে ইউনিসেফের তহবিলে দান করা হবে, যার মাধ্যমে বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা এইআইভি আক্রান্ত মায়েদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

প্রসঙ্গত, এই ক্রিস্তিনা আগুইলেরা বা আরিয়ানা গ্রানাদের মতো তারকারা ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হয়েছেন এই লিপস্টিকের ৷ তবে ডেমসি দাবি করেন, এই সব তারকারদের জন্য অবশ্য বড় অংকের টাকা খরচ করতে হয়নি ৷ কারণ সংস্থার এই মহৎ উদ্দেশ্যের কথা খেয়াল করে অনেকেই নামমাত্র খরচে রাজি হয়েছিলেন বিজ্ঞাপন করতে৷ আপাতত ‘ভিভা গ্ল্যাম’ লিপস্টিকের মোট বিক্রির ৭০ শতাংশই আয় বিদেশ থেকেই হয়৷ আগামিদিনে ব্রাজিল এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে এই ব্যবসার পরিধি বাড়ানো পরিকল্পনা করা হয়েছে।