স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের হাত ধরেই ২০১১ সালে বাম দুর্গের পতন ঘটিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম কার্যত সবুজ দুর্গে পরিণত হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমের খবর শেষ কয়েকটি নির্বাচনে সেখানে ঠিকমতো প্রচার পর্যন্ত করে উঠতে পারেনি বামব্রিগেড। কিন্তু যুবনেতৃত্বের হাত ধরে এবার সেখানেই জমি ফেরানোর লড়াই শুরু করল বামেরা।

ডিওয়াইএফআই-এর রাজ্য কমিটির সদস্য শতরূপ ঘোষ সোমবার নন্দীগ্রাম বিধানসভার অন্তর্গত মঙ্গলচক, বিক্রমচল, বিরুলিয়া গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ইব্রাহিম আলি ও পরিতোষ পট্টনায়ক।

তবে শুধু জনসংযোগই নয়, নন্দীগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলে ডিওয়াইএফআই-এর সদস্য বাড়ানোর কাজ শুরু হয়েছে বলেও শতরূপ জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য নন্দীগ্রাম ও সিঙ্গুরকে ইস্যু করে ক্ষমতায় আসলেও নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের কোন উন্নয়নই তৃণমূল সরকার। তার ফলে সিপিআইএম-এর কাছে সুযোগ রয়েছে সেখানকার মানুষের দাবিদাওয়াগুলো তুলে ধরার।

সিঙ্গুরের কৃষক আন্দোলন হাতিয়ার করে একসময় বামেদের ক্ষমতাচ্যুত করেছিল তৃণমূল। সেই সিঙ্গুর থেকে নন্দন পর্যন্ত কৃষক মিছিল বার করে বামেরা নিজেদের শক্তি জাহির করেছে। এবার লক্ষ্য নন্দীগ্রাম। এখানেও নিজেদের জমি ফেরানোর লড়াই জোরকদমে শুরু করছে সিপিআইএম।

শতরূপ জানান, “মেদিনীপুরের মাটি স্বাধীনতার সময় থেকেই ক্ষুদিরাম, মাতঙ্গিনীদের জন্ম দিয়েছে। কিন্তু সেই মেদিনীপুরেরই এক অংশের মানুষ আজ একটি পরিবারের দাসত্ব করে চলেছে। নন্দীগ্রামের মানুষ আমাদের বলেছেন যে আপনারা বারবার আসুন। আমাদের পাশে থাকুন। আমরা তৃণমূলকে তাদের হিসেব বুঝিয়ে দেব।” তিনি আরও বলেন,” নন্দীগ্রাম থেকেই তৃণমূলের উত্থান হয়েছিল। এই নন্দীগ্রামেই তৃণমূলের ওয়াটারলু হবে। “