মুম্বই: জুনের ২০ তারিখ থেকে হঠাতই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কোরিওগ্রাফার সরোজ খান। শুক্রবার মাঝরাতে তিনি মুম্বইয়ের বান্দ্রাতে গুরু নানক হাসপাতালে প্রয়াত হয়েছেন। ৭১ বছরের এই খ্যাতনামা ব্যাক্তির শেষকৃত্য আজই হতে চলেছে।

জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের মালাডর মালভানিতে শুক্রবার শেষকৃত্য হতে চলেছে। শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হয়ে হৃদরোগে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তিনি গুরু নানক হাসপাতালের আইসিইউতেই প্রয়াত হয়েছেন।

কিংবদন্তি কোরিওগ্রাফার সরোজ খানের মারাত্মক ডায়াবেটিস ছিল। তাঁর করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা করা হলেও সেই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তাঁর পরিবারে রয়েছেন, স্বামী বি সোহানলাল, ছেলে হামিদ খান এবং কন্যা হিনা খান এবং সুকিনা খান।

খ্যাতনামা এই কোরিওগ্রাফার তিনবার জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছেন। বলিউডে বেশ কিছু অবিস্মরণীয় গানের কোরিওগ্রাফ করেছিলেন তিনি। চার দশকেরও বেশি সময়ের নিজের ক্যারিয়ারে ২০০০ এরও বেশি গানে কোরিওগ্রাফ করেছেন তিনি।

ইতিমধ্যেই বলিউড তারকা থেকে কর্মী অনেকেই সরোজ খানের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন। বিগ বি অমিতাভ বচ্চন থেকে, তাপসি পান্নু, রীতেশ দেশমুখ সকলেই শোকবার্তা দিয়েছেন। এছাড়াও বলিউডের খিলাড়ি অক্ষয় কুমার থেকে মনিষা কৈরালাও শোকপ্রকাশ করেছেন খ্যাতনামা কোরিওগ্রাফার সরোজ খানের প্রয়াণে।

মাঝরাতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন বলিউডের মাস্টারজি কোরিওগ্রাফার সরোজ খান। বলিউডে একের পর এক নক্ষত্রপতন। কেউ বা স্মৃতি বিগলিত হয়ে মনে করছেন প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা আবার কেউবা মানুষ সরোজ খানকে। কারণ তাঁর ছন্দে অনেকেই পেয়েছেন পরিচয়। সাধারণ মানুষের মন জয় করেছেন।

খ্যাতনামা এই কোরিওগ্রাফার তিনবার জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছেন। বলিউডে বেশ কিছু অবিস্মরণীয় গানের কোরিওগ্রাফ করেছিলেন তিনি। চার দশকেরও বেশি সময়ের নিজের কর্মজীবনে ২০০০ এরও বেশি গানে কোরিওগ্রাফ করেছেন তিনি।

বিগ বি অমিতাভ বচ্চন জানিয়েছেন, “সকালে এই খবর পেয়ে ভীষণ মনখারাপ। হাত এখনও বন্ধ আর মন খুব খারাপ”। এছাড়াও মনিশা কৈরালা লিখেছেন, “আমি ক্লাসিক্যাল ডান্স ছাড়া আর কিছু জানতাম না, বলিউডে আসার পরে উনি আমাকে তৈরি করেছেন”।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।