কলকাতা: শহরে বিপজ্জনক বাড়ি হঠাতে চলেছে কলকাতা পুরসভা৷ খুব শীঘ্রই বিপজ্জনক বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়াদের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে।মঙ্গলবার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় একথা জানিয়েছেন৷

গত কয়েক বছরে শহরে বিপজ্জনক বাড়ি ভেঙে একের পর এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবারও মধ্য কলকাতায় ভাঙা বাড়িতে চাপা পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে৷বিরোধীদের সমালোচনার চাপে এবার বিপজ্জনক বাড়িগুলি কার্যত ‘দখল’ করার পরিকল্পনা শুরু করল কলকাতা পুরসভা৷

মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় এদিন ঘটনাস্থল ঘুরে এসে জানান, বিপজ্জনক বাড়ি ভেঙে একের পর এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে। এবার নয়া আইন কার্যকর করে এমন বাড়িগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু দখলই নয়, প্রয়োজনে শহর থেকে বিপজ্জনক বাড়ি হটাতে যা যা করণীয়, তা করা হবে।

সূত্রের খবর, শহরে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বিপজ্জনক বাড়িকে ‘চিহ্নিত’ করেছে পুরসভা। এগুলির মধ্যে একাধিক বাড়ির অবস্থা খুব খারাপ। নয়া ব্যবস্থা অনুযায়ী, প্রথমে বিপজ্জনক বাড়ির বাড়িওয়ালা এবং ভাড়াটিয়াকে সংস্কার করতে প্রস্তাব দেওয়া হবে। তাতে তাঁরা রাজি না হলে, পুর আইনে প্রথম অধিগ্রহণ করা হবে বিপজ্জনক বাড়িকে। এরপর টেন্ডার ডাকা হবে। পুরানো কাজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে বাছাই করে বাড়িটি তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

বিরোধীদের মতে, পুরসভার নয়া আইনে প্রমোটারদের সুবিধা হলেও দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচবে শহর কলকাতা৷ বিপজ্জনক বাড়ি নিয়ে মেয়রের দেরিতে হলেও হুঁশ ফিরল বলে মনে করছে তারা৷

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।