ফাইল ছবি৷

নয়াদিল্লি: ‘কাশ্মীর রি-অর্গানাইজেশন বিল’ পাশ হয়ে গেল রাজ্যসভায়। সোমবার সকালেই প্রস্তাব দিয়েচিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সন্ধেয় সেই বিল পাশ হয়ে যায় রাজ্যসভায়।

দুই তৃতীয়াংশ ভোটে পাশ হয়ে গেল কাশ্মীর সংক্রান্ত বিল। এই বিল অনুযায়ী আর্টিকল ৩৭০ এ তুলে নিল সরকার।

সোমবার রাজ্যসভায় আর্টিকল ৩৭০ তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

অমিত শাহের এই প্রস্তাবে উত্তাল হয় রাজ্যসভা। কাশ্মীরের ‘স্পেশাল স্টেটাস’, আর্টিকল ৩৭০ তুলে নেওয়া হতে পারে, রাজ্যসভায় এই প্রস্তাবই দেন অমিত শাহ। রবিবার থেকেই এই বিষয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। এরপর মধ্যরাতে ওমর আব্দুল্লাদের গৃহবন্দি করার পর সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়।

আর্টিকল ৩৭০-এর সাহায্যে ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার পর জম্মু ও কাশ্মীরের সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পর্ক ঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু গত ৭০ বছরের ইতিহাস বলছে সম্পর্ক আরও বিগড়েছে। সেক্ষেত্রে, জম্মু ও কাশ্মীরকে আর আলাদা চোখে দেখতে রাজি নন নরেন্দ্র মোদী। ভারতের বাকি রাজ্য গুলির মতোই থাকবে জম্মু ই কাশ্মীর। ভয়ঙ্কর ভূ-স্বর্গ কে শান্ত করার অঙ্গীকার নিয়েছেন মোদী।

৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের ফলে জম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখে সাধারণ আইন প্রতিষ্ঠিত হবে, যা দেশের বাকি রাজ্যগুলিতে প্রতিষ্ঠিত৷ জম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখে এবার থেকে জমি বা বাড়ির মত সম্পত্তি কিনতে পারবেন দেশের অন্যান্য প্রান্তের যে কোনও ব্যক্তি৷ কাশ্মীরে এবার সরকারি চাকরি পেতে পারবেন অন্য রাজ্য থেকে আসা মানুষও৷ জম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখের মহিলারা অন্য রাজ্যের বাসিন্দাকে বিয়ে করলে, তাঁর অধিকার হারাবেন না৷

জম্মু কাশ্মীরের জন্য কোনও আলাদা পতাকা থাকবে না৷ এবার থেকে ভারতের জাতীয় পতাকার তলায় চলে এল জম্মু কাশ্মীর৷ ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের ফলে এবার থেকে জম্মু, কাশ্মীর, লাদাখের প্রতিরক্ষা, বিদেশনীতি, অর্থ ও যোগাযোগ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে কেন্দ্র সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে৷ কেন্দ্রের হাতে এবার কাশ্মীরে আর্থিক জরুরি অবস্থা জারির ক্ষমতা এল৷