স্টাফ রিপোর্টার,কলকাতা: হর্ণ বাজানো নিয়ে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কড়া বিধি রয়েছে৷ কিন্তু কে কার কথা শোনে৷ ভিআইপি রোডের পাশে দাঁড়ালেই সেটা পরিস্কার৷ ভিআইপি রোড লাগোয়া অনেকগুলি স্কুল রয়েছে৷ তার মধ্যে অনেকগুলি স্কুলে চলছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা৷ ফলে উচ্চশব্দের হর্ণে তিতিবিরক্ত পরীক্ষার্থীরা৷ তাই হর্ণ বাজানো নিয়ে বাগুইআটি থানার পুলিশ অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে৷

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর দিন থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে লাগান হয়েছিল প্ল্যাকার্ড৷ তাতে লেখা রয়েছে,উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে,হর্ণ বাজাবেন না৷ সৌজন্যে: বাগুইআটি থানা৷ কিন্তু বৃহস্পতিবার ভিআইপি রোডে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র৷ স্থান কেস্টপুর বাসস্ট্যান্ড৷ তার পেছনেই রয়েছে স্কুল৷ সেখানে চলছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা৷ পরীক্ষা চলাকালীন হর্ণ বাজিয়ে চলছে যানবাহন৷ অপ্রয়োজনে হর্ণ বাজানো ও উচ্চশব্দের হর্ণ বাজানো বন্ধ করতে পুলিশই এদিন হাতে তুলে নিয়েছে প্ল্যাকার্ড৷ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে,হর্ণ বাজাবেন না লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেম কয়েকজন পুলিশকর্মী৷ যাতে চালকরা তা দেখতে পান৷

পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে থাকা অভিভাবকদের অভিযোগ, প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও গাড়ি চালকরা তাদের ইচ্ছেমতন হর্ণ বাজিয়ে চলেছেন৷ পুলিশের নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করে চালক উচ্চশব্দের হর্ণবাজালে, সেই গাড়ি দাঁড় করিয়ে পুলিশ চালককে সতর্ক করছেন৷

আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েই ভিআইপি রোডে তীব্র আওয়াজে বাজছে হর্ণ৷ সে পরীক্ষা কেন্দ্রই হোক বা হাসপাতালের সামনেই হোক৷ অথচ মোটরযান আইনে তিক্ষ্ণ, কর্কশ, আকস্মিক বিকট উচ্চশব্দের হর্ণ বা হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে৷ হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত বা অন্যান্য কিছু প্রতিষ্ঠানের চারিদিকে ১০০ মিটার পর্যন্ত এলাকাকে নীরব এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে৷তবে কোথায় কী? সে সবের পরোয়া না করেই হর্ণ বাজছে চারিদিকে৷