স্টাফ রিপোর্টার, বোলপুর: অর্থাভাব থাকায় শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসে বেতন দেরিতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি জানতে পেরেই এব্যাপারে উপাচার্যের ব্যাখ্যা তলব করল মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক।

ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বলেছিলেন, অর্থের সঙ্কট চলছে। সোমবার নিজেদের ওয়েবসাইটে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ জানায়, অর্থাভাবের কারণে এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন দিতে বিশ্বভারতীর দেরি হতে পারে পারে।

এরপরই উপাচার্যের ব্যাখ্যা তলব করল মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব গিরিশ হোসুর বলেন, “ফান্ডের কোনও অসুবিধা নেই। বিশ্বভারতীর ফান্ড ঠিক সময়েই ছাড়া হয়েছে। কেন এমন ভুল বিজ্ঞপ্তি জারি করা হল, সে ব্যাপারে উপাচার্যের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।”

মন্ত্রকের এই অবস্থান প্রসঙ্গে বিশ্বভারতীর জয়েন্ট রেজিস্ট্রার (অ্যাকাউন্টস) সঞ্জয় ঘোষের পাল্টা দাবি, ‘‘মন্ত্রক ব্যাখ্যা চেয়েছে, আমরা দেব। আমাদের লুকোনোর কিছু নেই। বারো মাসের বেতন বাবদ আমরা ২৩০ কোটি টাকার বাজেট পাঠিয়েছিলাম। মন্ত্রক দিয়েছে ১৬০ কোটি টাকা। সেই টাকায় জানুয়ারি পর্যন্ত দশ মাসের বেতন দেওয়া গেছে। বাকি দু-মাসের বেতন প্রদানে সমস্যা আছে।’’

অনেকেই এই ইস্যুতে তুলোধোনা করেছেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদুৎ চক্রবর্তীকে। বিশ্বভারতীর অধ্যাপক সংগঠনের বক্তব্য “মন্ত্রকের নামে অপবাদ দিয়ে বেতন বিলম্বের নোটিশ দিয়েছেন উপাচার্য । যাতে অধ্যাপক ও কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।”