কলকাতা: এনআরসির প্রতিবাদ জানিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের দ্বারস্থ হলেন কবি মন্দাক্রান্তা সেন৷ মঙ্গলবার সকাল ১১.৫০ মিনিটে মন্দাক্রান্তা সেনের নেতৃত্বে পাঁচ জনের একটি প্রতিনিধি দল রাজভবনে যান৷ সম্প্রতি বুলবুল-এ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু মানুষের ঘরবাড়ি। হারিয়ে গিয়েছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। আগামীতে বাংলায় এনআরসি হলে এই অসহায় মানুষদের ওপর প্রভাব পড়বে বলে রাজ্যপালকে জানিয়েছেন মন্দাক্রান্তা।

রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পর রাজভবনের বাইরে বেরিয়ে মন্দাক্রান্তার দাবি, রাজ্যপাল তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমকে মন্দাক্রান্তা বলেন, রাজ্যপাল এবিষয়ে উচ্চ পর্যায়ে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন।

পরে kolkata24x7-কে মন্দাক্রান্তা বলেন, “আমরা সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হয়েই এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করি। স্বাধীনতার এত বছর পরও আমাদের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এরমধ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিভিন্ন সরকার। সরকার বদলেছে নাগরিকদের ভোটদানের মাধ্যমে। তখন কি আমরা নাগরিক ছিলাম না? একথা আমরা মাননীয় রাজ্যপালকে জানাই। তিনি আমাদের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন। জগদীপ ধনকড় বলেছেন উচ্চ পর্যায়ে আমাদের বার্তা পৌঁছে দেবেন।”

কিছুদিন আগেই রানুছায়া মঞ্চে ‘নো এনআরসি’ আওয়াজ তুলে প্রকাশ্যে জমায়েত হয়েছিলেন মন্দাক্রান্তা-সহ আরও অনেক সংবেদনশীল মানুষ। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন– তরুণ সান্যাল, অনীক দত্ত, আব্দুল মান্নান, মিতুল দত্ত, অরুণাভ ঘোষ প্রমুখ।সভায় জমায়েত হয়েছিলেন বহু সাধারণ মানুষ। স্বদেশে বসবাস করার ক্ষেত্রেও আতঙ্ক কাজ করছে অনেকের। এই আতঙ্কের জায়গা থেকেই পথে নেমেছেন সকলে।

অসমে এনআরসি ভয়াবহতা আজ সকলেরই জানা। বাংলার মানুষ চান না রাজ্যে এমন কালও দিন নেমে আসুক। সে জন্যই প্রতিবাদ। এখন দেখার এই বৈঠক থেকে আদৌ কোনও সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসার কিনা!

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ