স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যে করোনা সংক্রমণ হু হু করে বাড়ছে রাজ্যে। তারমধ্যে এখনও বাকি তিন দফা ভোট। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার কী ব্যবস্থা নিচ্ছে তা জানতে চাইলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মুখ্যসচিব–সহ রাজ্যের পদস্থ কর্তাদের কাছে দ্রুত রিপোর্ট চেয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত তৃণমূলের আরও এক প্রার্থী

রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে রবিবার একটি ট্যুইট করেছেন রাজ্যপাল। তিনি লেখেন, ‘‌কোভিড পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। আর তা মোকাবিলার জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিবের কাছ থেকে জবাব পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।’‌  মুখ্যসচিবকে রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং সমস্ত সরকারি–বেসরকারি হাসপাতালের সিইওদের সঙ্গে তাঁর উপস্থিতিতে ভিডিও কনফারেন্সিং করার বার্তাও দিয়েছেন রাজ্যপাল। আরও একটি ট্যুইট করে রাজ্যের জারি করা নতুন গাইডলাইনগুলি কঠোরভাবে পালন রার বার্তাও দেন তিনি।

আরও পড়ুন: করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদী

রাজ্যে ক্রমশ বাড়তে থাকা করোনা পরিস্থিতির জেরে রাজ্য সরকার বেশ কয়েকদফা নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। নয়া নির্দেশিকায় মাস্ক পরা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা যেমন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, তেমনই সরকারি দফতরে অর্ধেক কর্মী নিয়ে কাজ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি সংস্থাগুলিকে বলা হয়েছে, যতটা সম্ভব কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার অনুমতি দিতে। রবিবার সকালে নেটমাধ্যমে সেটি তুলে ধরেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। আপাতত আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত নয়া বিধি চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাতে।

আরও পড়ুন: কেন উত্তরোত্তর বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, ব্যাখ্যা করলেন এইমস প্রধান

ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, অফিসে বসে কাজ করার সময়ও কর্মীদের মাস্ক পরে থাকা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। শপিং মল, মাল্টিপ্লেক্স, থিয়েটার, রেস্তরাঁর মতো জায়গায় প্রবেশ এবং বাহির পথে গ্রাহকদের থার্মাল স্ক্যানিং করা, হাত স্যানিটাইজ করা বাধ্যতামূলক। স্টেডিয়াম এবং সুইমিং পুলগুলিকে আগের নির্দেশ মতোই সতর্কতা মেনে চলতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.