স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: বাঁকুড়ার কৃষকদের জন্য সুখবর শোনাল কংসাবতী সেচ দফতর৷ রবি শস্য চাষের জন্য কংসাবতী জলাধারের জল পাবেন জেলার ১২টি ব্লকের কৃষকরা৷

বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, কংসাবতী জলাধারের জল এবার রবি চাষে জেলার ১২টি ব্লকের ৯৫হাজার একর কৃষি জমিতে সেচের সুবিধা পাবেন৷ সম্প্রতি জেলা পরিষদ, কংসাবতী সেচ দফতর ও কৃষি বিভাগের আধিকারিকদের নিয়ে এক বৈঠকে রবি শস্য চাষে সেচের জল দেওয়ার ব্যাপারে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে৷

জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, খাতরা মহকুমা এলাকার রাইপুর, রাণীবাঁধ, সারেঙ্গা, তালডাংরা, সিমলাপাল, খাতরা, হিড়বাঁধ, ইন্দপুর এবং বিষ্ণুপুর মহকুমা এলাকার জয়পুর, কোতুলপুর, ওন্দা ও বিষ্ণুপুর মোট ১২টি ব্লকের ৯৫ হাজার একর চাষের জমি সেচের জলর সুবিধা পাবেন৷

কংসাবতী জলাধার থেকে আসন্ন রবি শস্য চাষে সেচের জল পাওয়ার খবরে খুশি জেলার কৃষিজীবী মানুষ৷ সূত্রের খবর, মুকুটমনিপুরের কংসাবতী জলাধার থেকে আগামী ২০১৮ সালের ৩০ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দফায় দফায় সেচের জন্য এই জল সরবরাহ করা হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।