নয়াদিল্লি: অন্যতম জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট ফ্লিপকার্ট প্রাইভেট লিমিটেড এবং গৌতম আদানির সংস্থা যৌথভাবে কাজ শুরু করতে চলেছে। ফ্লিপকার্ট এবং আদানি সংস্থা ভারতের বৃহত্তম লজিস্টিক হাব বা ডেটা সেন্টার স্থাপন করতে চলেছে ভারতে। এক কথায় বলা যেতে পারে ওয়ালমার্টের জনপ্রিয় ই-কমার্স সংস্থা অ্যামাজনের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতার ময়দানে শক্তিশালী হিসেবে নামার কারণে যৌথভাবে কাজ শুরু করছে দুই সস্থার।

এই চুক্তিতে ভারতের দ্রুত বর্ধমান ধনকুবের আদানির প্রবেশ অনলাইন বাজারের জগতে ত্রিমুখী লড়ায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। মনে করা হচ্ছে লকডাউনের কারণে দোকান থেকে কেনাকাটায় না করে অনলাইন বাজারের ওপর মানুষের নির্ভয় হয়ে পড়ার ফলে, আগামী ২০২৬ সালে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করবে ফ্লিপকার্ট-আদানি জোট সংস্থা।

ফ্লিপকার্ট-আদানি জোটের প্রতিযোগিতায় বিপক্ষে জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট অ্যামাজনের পাশাপাশি রয়েছে ভারত এবং এশিয়ার অন্যতম ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানিও।

সোমবার এই দুই সংস্থার জোটের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। তারা এই বিবৃতিতে উল্লেখ করে, আদানি লজিস্টিক লিমিটেডের একটি ইউনিট আদানি স্পোর্টস এবং স্পেশাল ইকোনমিক জোন লিমিটেডে মুম্বইয়ে লজিস্টিক হাবের জন্য ৫,৩৪,০০০ বর্গফুট পরিপূরণ কেন্দ্র তৈরি করবে এবং সেটি ফ্লিপকার্ট সংস্থাকে লিজে দেওয়া হবে।

এর পাশাপাশি আদানি সংস্থা বিবৃতিতে আরও জানিয়েছে, এই ওয়ারহাউসটি ২০২২ সালের তৃতীয় ভাগের দিকে চালু করা হবে, যার পরিমাণ হবে প্রায় ১১ টি ফুটবল মাঠের সমান। আরও যোগ করে তিনি জানান, ১০ মিলিয়ন ইউনিট জিনিস রাখা যাবে এই গুদামে।

বেঙ্গালুরু ভিত্তিক ফ্লিপকার্ট ই-কমার্স সংস্থা ভারতের মধ্যে তথ্য রাখার সুবিধার জন্য আদানি কানেক্স এক্স ফেসিলিটি চেন্নাইয়ে আরেকটি ডাটা ডেটা সেন্টার কেন্দ্র চালু করছে। অ্যাডানিকোনেক্স প্রাইভেট লিমিটেড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এজকোনেক্স ইঙ্ক একত্রীকরণের প্রধান তালিকাভুক্ত ইউনিট আদানি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি যৌথ্য উদ্যোগ।

ই-কমার্স সাইট ফ্লিপকার্ট এবং আদানি সংস্থা যৌথভাবে কাজ করলেও অংশীদারিত্বের বিষয়ে কিছু প্রকাশ করেনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.